ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘পলাতকরা আপিল করতে পারবেন না’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / 74

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচার

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হবে আগামী সোমবার (১৭ নভেম্বর)। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় দেবেন।

রায়ের পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করতে পারবে। নিয়ম অনুযায়ী, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে গ্রেপ্তার আসামিরা আপিল আবেদন করতে পারবেন। তবে পলাতক আসামিরা গ্রেপ্তার না হলে আপিল করার সুযোগ পাবেন না। প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হোসাইন তামিম রোববার (১৬ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এই মামলার পলাতক আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান আপিল করার সুযোগ পাবেন না যতক্ষণ পর্যন্ত গ্রেপ্তার বা ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন না।

তিনি আরও বলেন, মামলার প্রধান আসামি নারী হলেও রায়ে নারী হওয়ার কারণে বিশেষ কোনো সুবিধা নেই। সিআরপিসি অনুযায়ী জামিনের ক্ষেত্রে নারী, অসুস্থ, কিশোর বা শিশুদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, কিন্তু রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে নারী বা পুরুষের মধ্যে কোনো প্রিভিলেজ নেই। আসামি যে অবস্থায় ছিলেন, তার অপরাধের গুরুত্ত্ব বিবেচনা করে শাস্তি বা খালাস দেওয়া হবে।

প্রসিকিউটর জানান, ট্রাইব্যুনালে পূর্বে যে ৫৬টি রায় দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর বেশিরভাগই স্টেট ডিফেন্সের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। অনুপস্থিত আসামিদের বিচারের জন্যও স্টেট ডিফেন্সের ব্যবস্থা রয়েছে। আইনে পরিষ্কার বলা আছে, পলাতক আসামি গ্রেপ্তার হলে রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন, নাহলে স্টেট ডিফেন্সের মাধ্যমে আপিলের কোনো অধিকার নেই।

শেখ হাসিনার বিদেশে অবস্থানের প্রসঙ্গে প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের প্রথম গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলে রেড নোটিশের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। রায় ঘোষণার পর যদি তার বিরুদ্ধে শাস্তি হয়, তাহলে পুনরায় ইন্টারপোলে রেড নোটিশের আবেদন পাঠানো হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘পলাতকরা আপিল করতে পারবেন না’

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হবে আগামী সোমবার (১৭ নভেম্বর)। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় দেবেন।

রায়ের পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করতে পারবে। নিয়ম অনুযায়ী, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে গ্রেপ্তার আসামিরা আপিল আবেদন করতে পারবেন। তবে পলাতক আসামিরা গ্রেপ্তার না হলে আপিল করার সুযোগ পাবেন না। প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হোসাইন তামিম রোববার (১৬ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এই মামলার পলাতক আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান আপিল করার সুযোগ পাবেন না যতক্ষণ পর্যন্ত গ্রেপ্তার বা ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন না।

তিনি আরও বলেন, মামলার প্রধান আসামি নারী হলেও রায়ে নারী হওয়ার কারণে বিশেষ কোনো সুবিধা নেই। সিআরপিসি অনুযায়ী জামিনের ক্ষেত্রে নারী, অসুস্থ, কিশোর বা শিশুদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, কিন্তু রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে নারী বা পুরুষের মধ্যে কোনো প্রিভিলেজ নেই। আসামি যে অবস্থায় ছিলেন, তার অপরাধের গুরুত্ত্ব বিবেচনা করে শাস্তি বা খালাস দেওয়া হবে।

প্রসিকিউটর জানান, ট্রাইব্যুনালে পূর্বে যে ৫৬টি রায় দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর বেশিরভাগই স্টেট ডিফেন্সের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। অনুপস্থিত আসামিদের বিচারের জন্যও স্টেট ডিফেন্সের ব্যবস্থা রয়েছে। আইনে পরিষ্কার বলা আছে, পলাতক আসামি গ্রেপ্তার হলে রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন, নাহলে স্টেট ডিফেন্সের মাধ্যমে আপিলের কোনো অধিকার নেই।

শেখ হাসিনার বিদেশে অবস্থানের প্রসঙ্গে প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের প্রথম গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলে রেড নোটিশের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। রায় ঘোষণার পর যদি তার বিরুদ্ধে শাস্তি হয়, তাহলে পুনরায় ইন্টারপোলে রেড নোটিশের আবেদন পাঠানো হবে।