ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাঁদার টাকায় পাহাড়ে অস্ত্র কিনছে সশস্ত্র গোষ্ঠী

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • / 51

চাঁদার টাকায় পাহাড়ে অস্ত্র কিনছে সশস্ত্র গোষ্ঠী

খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ভারত ও মায়ানমার থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহের জন্য ব্যবসায়ী, ঠিকাদার, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে। তিনি ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে বলেছেন, এই চাঁদার অর্থই পরবর্তীতে দেশের, নিরাপত্তা বাহিনীর এবং আপনার স্বার্থের বিরুদ্ধে ব্যবহার হচ্ছে।

মঙ্গলবার খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেন—চাঁদা দিতে হবে না, কেউ চাঁদা চাইলে বলবেন সেনাবাহিনী নিষেধ করেছে, তারপরও কোনো চাঁদা দেওয়া চলবে না। সেনাবাহিনী তাদের সুরক্ষা দেবে।

রিজিয়ন কমান্ডার আরও জানান, ইউপিডিএফ-এর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী ঘাঁটি পানছড়ির লৌংগা যুবনেশ্বর পাড়া ধ্বংস করা হয়েছে। তার ধারাবাহিক অভিযানের কারণে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এখন সিভিল ড্রেসে চলাফেরা করছে এবং জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত তারা সক্রিয় থাকতে পারবে না।

তিনি ব্যবসায়ীদের জানান, পার্বত্য অঞ্চলে চাঁদাবাজি ও আধিপত্যের রাজনীতি পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও ব্যবসায় ক্ষতি করছে। সভায় উপস্থিত ব্যবসায়ী ও ঠিকাদাররা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চাঁদার টাকায় পাহাড়ে অস্ত্র কিনছে সশস্ত্র গোষ্ঠী

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ভারত ও মায়ানমার থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহের জন্য ব্যবসায়ী, ঠিকাদার, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে। তিনি ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে বলেছেন, এই চাঁদার অর্থই পরবর্তীতে দেশের, নিরাপত্তা বাহিনীর এবং আপনার স্বার্থের বিরুদ্ধে ব্যবহার হচ্ছে।

মঙ্গলবার খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেন—চাঁদা দিতে হবে না, কেউ চাঁদা চাইলে বলবেন সেনাবাহিনী নিষেধ করেছে, তারপরও কোনো চাঁদা দেওয়া চলবে না। সেনাবাহিনী তাদের সুরক্ষা দেবে।

রিজিয়ন কমান্ডার আরও জানান, ইউপিডিএফ-এর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী ঘাঁটি পানছড়ির লৌংগা যুবনেশ্বর পাড়া ধ্বংস করা হয়েছে। তার ধারাবাহিক অভিযানের কারণে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এখন সিভিল ড্রেসে চলাফেরা করছে এবং জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত তারা সক্রিয় থাকতে পারবে না।

তিনি ব্যবসায়ীদের জানান, পার্বত্য অঞ্চলে চাঁদাবাজি ও আধিপত্যের রাজনীতি পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও ব্যবসায় ক্ষতি করছে। সভায় উপস্থিত ব্যবসায়ী ও ঠিকাদাররা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।