দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ
বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও নেপাল সীমান্তে উচ্চ সতর্কতা জারি ভারতের
- সর্বশেষ আপডেট ১১:১৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
- / 63
দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় ১৩ জন নিহত ও বহু মানুষ আহত হওয়ার পর ভারত সরকার সোমবার রাতে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও নেপাল সীমান্তজুড়ে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে।
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (বিএসএফ) পাঞ্জাবের ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে নজরদারি জোরদার করেছে। পাশাপাশি উত্তর প্রদেশ-নেপাল সীমান্ত এবং অন্যান্য সেনা চৌকিগুলোতেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে।
এছাড়া, বিস্ফোরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) এবং দিল্লি পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, ভারতের ঐতিহাসিক পর্যটনকেন্দ্র লাল কেল্লার পাশেই বিস্ফোরণটি ঘটে। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে লাল কেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে পার্ক করা একটি হুন্দাই আই২০ গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের এলাকা কেঁপে ওঠে, এবং ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকে ছিন্নভিন্ন মরদেহ ও ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাড়ি।
দিল্লির উপপ্রধান অগ্নিনির্বাপক কর্মকর্তা একেএ মালিক বলেন, ‘আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করি। সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।’
বিস্ফোরণের পর লাল কেল্লা ও আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন এলাকাটিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, একই দিনে রাজধানী দিল্লি থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে হরিয়ানার ফরিদাবাদে ২ হাজার ৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।
এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি এবং বিস্ফোরণের কারণও স্পষ্ট করেনি দিল্লি পুলিশ। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে তদন্ত শুরু করেছেন।
বিস্ফোরণের সময় বিহার রাজ্যে দ্বিতীয় দফা ভোটের আগের দিন হওয়ায়, গোটা দেশজুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
































