ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মারা গেছেন উত্তম কুমারের নায়িকা সুলক্ষণা পণ্ডিত

বিনোদন ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / 90

মারা গেছেন উত্তম কুমারের নায়িকা সুলক্ষণা পণ্ডিত

বলিউডের এক সময়ের জনপ্রিয় গায়িকা ও অভিনেত্রী সুলক্ষণা পণ্ডিত আর নেই। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাতে মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

অভিনেত্রীর ভাই, সুরকার ললিত পণ্ডিত জানিয়েছেন—কয়েক দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন সুলক্ষণা। এদিন রাত ৮টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়।

শিশুশিল্পী হিসেবে বলিউডে পথচলা শুরু করেন সুলক্ষণা। ১৯৬৭ সালে ‘তকদির’ ছবিতে তার গাওয়া ‘সাত সমুন্দর পার সে’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

হিন্দির পাশাপাশি বাংলা, মারাঠি, ওড়িয়া ও গুজরাটি ভাষায়ও গান গেয়েছেন তিনি। ১৯৮০ সালে প্রকাশিত তার অ্যালবাম ‘জজবাত’ সাড়া ফেলে দেয়। গজল শিল্পী হিসেবেও তিনি ছিলেন সুপরিচিত।

১৯৭৫ সালে সঞ্জীব কুমারের বিপরীতে ‘উলঝন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে অভিনয় শুরু করেন সুলক্ষণা

সত্তর ও আশির দশকে একাধিক হিন্দি ছবিতে দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে—‘সংকোচ’, ‘হেরাফেরি’, ‘আপনাপন’, ‘খানদান’, ‘চেহরে পে চেহরা’, ‘ধর্মকান্তা’ এবং ‘ওয়াক্ত কি দিওয়ার’। এসব ছবিতে তার অভিনয় আজও দর্শকদের মনে দাগ কেটে আছে।

এর বাইরে বাংলা চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন সুলক্ষণা। ১৯৭৮ সালে উত্তম কুমারের বিপরীতে ‘বন্দী’ ছবিতে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেন তিনি।

জিতেন্দ্র, রাজেশ খান্না, বিনোদ খান্না, শশী কাপুর ও শত্রুঘ্ন সিনহার বিপরীতেও একাধিক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী।

১৯৮৬ সালে লন্ডনের রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে আয়োজিত ‘ফেস্টিভ্যাল অব ইন্ডিয়ান মিউজিক’ কনসার্টে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন সুলক্ষণা পণ্ডিত।

তার গানে ও চলচ্চিত্রে সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন কিশোর কুমার, হেমন্ত কুমার, মোহাম্মদ রফি, শৈলেন্দ্র সিং, যেসুদাস ও উদিত নারায়ণসহ উপমহাদেশের বহু কিংবদন্তি শিল্পী।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মারা গেছেন উত্তম কুমারের নায়িকা সুলক্ষণা পণ্ডিত

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

বলিউডের এক সময়ের জনপ্রিয় গায়িকা ও অভিনেত্রী সুলক্ষণা পণ্ডিত আর নেই। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাতে মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

অভিনেত্রীর ভাই, সুরকার ললিত পণ্ডিত জানিয়েছেন—কয়েক দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন সুলক্ষণা। এদিন রাত ৮টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়।

শিশুশিল্পী হিসেবে বলিউডে পথচলা শুরু করেন সুলক্ষণা। ১৯৬৭ সালে ‘তকদির’ ছবিতে তার গাওয়া ‘সাত সমুন্দর পার সে’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

হিন্দির পাশাপাশি বাংলা, মারাঠি, ওড়িয়া ও গুজরাটি ভাষায়ও গান গেয়েছেন তিনি। ১৯৮০ সালে প্রকাশিত তার অ্যালবাম ‘জজবাত’ সাড়া ফেলে দেয়। গজল শিল্পী হিসেবেও তিনি ছিলেন সুপরিচিত।

১৯৭৫ সালে সঞ্জীব কুমারের বিপরীতে ‘উলঝন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে অভিনয় শুরু করেন সুলক্ষণা

সত্তর ও আশির দশকে একাধিক হিন্দি ছবিতে দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে—‘সংকোচ’, ‘হেরাফেরি’, ‘আপনাপন’, ‘খানদান’, ‘চেহরে পে চেহরা’, ‘ধর্মকান্তা’ এবং ‘ওয়াক্ত কি দিওয়ার’। এসব ছবিতে তার অভিনয় আজও দর্শকদের মনে দাগ কেটে আছে।

এর বাইরে বাংলা চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন সুলক্ষণা। ১৯৭৮ সালে উত্তম কুমারের বিপরীতে ‘বন্দী’ ছবিতে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেন তিনি।

জিতেন্দ্র, রাজেশ খান্না, বিনোদ খান্না, শশী কাপুর ও শত্রুঘ্ন সিনহার বিপরীতেও একাধিক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী।

১৯৮৬ সালে লন্ডনের রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে আয়োজিত ‘ফেস্টিভ্যাল অব ইন্ডিয়ান মিউজিক’ কনসার্টে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন সুলক্ষণা পণ্ডিত।

তার গানে ও চলচ্চিত্রে সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন কিশোর কুমার, হেমন্ত কুমার, মোহাম্মদ রফি, শৈলেন্দ্র সিং, যেসুদাস ও উদিত নারায়ণসহ উপমহাদেশের বহু কিংবদন্তি শিল্পী।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস