ক্যান্সার নিয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
- / 78
সারাদেশে ক্যান্সার ও অন্যান্য অ-সংক্রামক রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ফ্যাটি লিভারজনিত সমস্যা ও স্তন ক্যান্সারের মতো প্রাণঘাতী রোগ এখন দেশে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ সময়মতো সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিলে এসব রোগ অনেকাংশেই এড়ানো সম্ভব।
শনিবার (১ নভেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সিঙ্গাপুরের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ প্রফেসর তো হান চংয়ের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এই আহ্বান জানান।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ক্যান্সার সেন্টারের সিনিয়র কনসালট্যান্ট প্রফেসর তো হান চং, সিংহেলথ ডিউক–এনইউএস গ্লোবাল হেলথ ইনস্টিটিউটের ডেপুটি ডিরেক্টর বিজয়া রাও এবং সিংহেলথ ও এডিনবারা ন্যাপিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ কালউইন্ডার কউর।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় বর্তমানে ক্যান্সার, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের মতো অ-সংক্রামক রোগই মৃত্যুর প্রধান কারণ। এসব রোগের চিকিৎসা যেমন ব্যয়বহুল, তেমনি অনেকের নাগালের বাইরেও। তাই প্রতিরোধই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।”
তিনি আরও বলেন, “সারাদেশে এসব রোগ সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। ক্যান্সার বা হৃদরোগের চিকিৎসা প্রায়ই ব্যয়সাপেক্ষ হয়ে পড়ে। তাই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে হবে, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য।”
প্রফেসর তো হান চং বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় বর্তমানে ফ্যাটি লিভার নীরবে ছড়িয়ে পড়ছে, যা ভবিষ্যতে লিভার ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এ বিষয়ে বড় পরিসরে সচেতনতা তৈরি জরুরি।”
প্রধান উপদেষ্টা নারীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে স্তন ক্যান্সার শনাক্তকরণ কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করার তাগিদ দেন। পাশাপাশি চিকিৎসা খাতে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন, বিশেষ করে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে।
বৈঠকে প্রফেসর তো হান চং জানান, চলতি সপ্তাহে সিঙ্গাপুরের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নিয়মিতভাবে চালু থাকবে।
































