ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে ৩ জন গুলিবিদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
  • / 113

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে ৩ জন গুলিবিদ্ধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও পুরোনো শত্রুতার জেরে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে স্থানীয় মনেক ডাকাতের ছেলে শিপনসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে বড়িকান্দি ইউনিয়নের গনি শাহ মাজারের পাশে একটি হোটেলে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন—নুরজাহানপুর গ্রামের মনেক মিয়ার ছেলে শিপন, আলমনগর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে ইয়াসিন এবং চরলাপাং গ্রামের রশিদ মিয়ার ছেলে নুর আলম।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নুরজাহানপুর গ্রামের শিপনের সঙ্গে থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাত বাহিনীর বিরোধ চলছিল। আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছিল দীর্ঘদিনের।

শনিবার রাতে শিপন বড়িকান্দি গনি শাহ মাজারের পাশে একটি হোটেলে খাবার খেতে গেলে রিফাত ও তার সহযোগীরা সেখানে গিয়ে গুলি চালায়। এতে শিপন ও হোটেলের এক কর্মচারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়, সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শিপন ও রিফাত বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতির লুটের মাল ভাগাভাগি নিয়ে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে ৩ জন গুলিবিদ্ধ

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও পুরোনো শত্রুতার জেরে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে স্থানীয় মনেক ডাকাতের ছেলে শিপনসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে বড়িকান্দি ইউনিয়নের গনি শাহ মাজারের পাশে একটি হোটেলে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন—নুরজাহানপুর গ্রামের মনেক মিয়ার ছেলে শিপন, আলমনগর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে ইয়াসিন এবং চরলাপাং গ্রামের রশিদ মিয়ার ছেলে নুর আলম।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নুরজাহানপুর গ্রামের শিপনের সঙ্গে থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাত বাহিনীর বিরোধ চলছিল। আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছিল দীর্ঘদিনের।

শনিবার রাতে শিপন বড়িকান্দি গনি শাহ মাজারের পাশে একটি হোটেলে খাবার খেতে গেলে রিফাত ও তার সহযোগীরা সেখানে গিয়ে গুলি চালায়। এতে শিপন ও হোটেলের এক কর্মচারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়, সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শিপন ও রিফাত বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতির লুটের মাল ভাগাভাগি নিয়ে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”