সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
- সর্বশেষ আপডেট ০১:২২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
- / 82
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে সম্প্রতি জারি করা এক পরিপত্রে একান্ত অপরিহার্য কারণ ছাড়া সব ধরণের বিদেশ ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে জারি করা ভ্রমণ সীমিতকরণের নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ না করার প্রেক্ষাপটে এই নতুন কড়া নির্দেশনা এসেছে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের পূর্ববর্তী পরিপত্র এবং অর্থ বিভাগের ৮ জুলাইয়ের চিঠিতে ভ্রমণ সীমিতকরণসহ বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। তবে লক্ষ্য করা গেছে, জারি করা নির্দেশনা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না এবং কর্মকর্তারা বিদেশে যাচ্ছেন।
‘মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ও সচিব একই সময়ে বৈদেশিক সফরে যাচ্ছেন। একই মন্ত্রণালয়ের অনেক কর্মকর্তা একসাথে বিদেশে যাচ্ছেন। এ ধরনের প্রস্তাব প্রায়ই এই কার্যালয়ে প্রেরণ হচ্ছে, যা পূর্বের নির্দেশনার পরিপন্থি,’ পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ কারণে নতুন নির্দেশনায় সব বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত পূর্ববর্তী নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি, আগামী জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত একান্ত অপরিহার্য কারণ ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরিপত্রের কপি সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবের পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সব উপদেষ্টার একান্ত সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, ১৭ সেপ্টেম্বর সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় সরকারি নিয়ম ভেঙে পাঁচটি নির্দেশনা জারি করেছিল। সেগুলো হলো:
১. মন্ত্রণালয়/দপ্তর/সংস্থার কর্মকর্তা বা কর্মচারী ব্যক্তিগতভাবে কোনো বিদেশি সংস্থার সঙ্গে সরাসরি পত্র যোগাযোগ করবেন না; সব যোগাযোগ হবে সচিব বা দপ্তর/সংস্থা প্রধানের মাধ্যমে।
২. কর্মকর্তা বা কর্মচারী ব্যক্তিগত উদ্যোগে কোনো আমন্ত্রণপত্র সংগ্রহ করা থেকে বিরত থাকবেন।
৩. বিদেশ যাত্রার আগে সব কর্মকর্তাকে নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে।
৪. বিদেশি সংস্থার সঙ্গে আমন্ত্রণ সংক্রান্ত যোগাযোগের পূর্বে মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং দপ্তর/সংস্থা প্রধানের অনুমতি নিতে হবে।
৫. বিদেশি সংস্থা থেকে প্রাপ্ত ব্যক্তিগত আমন্ত্রণপত্রের ক্ষেত্রে সেই ইভেন্ট বা সভা/সেমিনারের পেশাগত উন্নতি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাজ ও জনস্বার্থের সঙ্গে সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে অনুমতি প্রদান করতে হবে।
































