ঢাকা ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খতিব মহিবুল্লাহ নিখোঁজের ঘটনাটি সাজানো নাটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, টঙ্গী (গাজীপুর)
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • / 105

খতিব মহিবুল্লাহ নিখোঁজের ঘটনাটি সাজানো নাটক

গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানাধীন টিএনটি বাজার জামে মসজিদের খতিব আলহাজ ক্বারি মুফতি মহিবুল্লাহ মিয়াজীর নিখোঁজের ঘটনা একটি সাজানো নাটক ছিল বলে ধারণা করছে পুলিশ।

টঙ্গী থানার সূত্রে জানা গেছে, সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ট্র্যাকিং এবং চিকিৎসকের প্রতিবেদনের সঙ্গে মহিবুল্লাহর বক্তব্যের মধ্যে বড় ধরনের অসংগতি পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।

গত সোমবার রাত ১০টার দিকে মহিবুল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য টঙ্গী পূর্ব থানায় আনা হয়। সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি স্বীকার করেছেন, ঘটনাটি তার নিজের ইচ্ছাতেই ঘটেছে।

পঞ্চগড়ে গত বৃহস্পতিবার তাকে শিকলবাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মহিবুল্লাহ একাই দ্রুত হেঁটে পঞ্চগড়ে পৌঁছেছেন। মোবাইল ট্র্যাকিং ও ফুটেজ বিশ্লেষণে তার সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা অ্যাম্বুলেন্সের উপস্থিতি ধরা পড়েনি। পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জনও নিশ্চিত করেছেন, শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই; শুধু ব্যথানাশক ওষুধ দেওয়া হয়েছে।

তদন্তকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, খতিব নিজেই নিজের পায়ে শিকল বেঁধেছিলেন এবং পুরো ঘটনাটি সাজানো নাটক ছিল। এছাড়াও, হুমকির চিঠি সংক্রান্ত অনুসন্ধান চলছে এবং ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গাজীপুরের খতিব নিখোঁজ সংক্রান্ত নতুন তথ্য দিয়ে আলজাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের জানান, চারটি ভিন্ন ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সকাল ৬টা ৫৪ মিনিটে এলাকা থেকে রওনা হয়ে মহিবুল্লাহ সকাল ৭টা ১৮ মিনিটে ফিলিং স্টেশনে পৌঁছান। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তাকে কোনোভাবে অপহরণ করা হয়নি; তিনি একাই দ্রুত গতিতে হাঁটছেন। নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যরাও নিশ্চিত করেছেন, ফিলিং স্টেশনের সামনে তাকে অপহরণ করা হয়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

খতিব মহিবুল্লাহ নিখোঁজের ঘটনাটি সাজানো নাটক

সর্বশেষ আপডেট ১২:১৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানাধীন টিএনটি বাজার জামে মসজিদের খতিব আলহাজ ক্বারি মুফতি মহিবুল্লাহ মিয়াজীর নিখোঁজের ঘটনা একটি সাজানো নাটক ছিল বলে ধারণা করছে পুলিশ।

টঙ্গী থানার সূত্রে জানা গেছে, সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ট্র্যাকিং এবং চিকিৎসকের প্রতিবেদনের সঙ্গে মহিবুল্লাহর বক্তব্যের মধ্যে বড় ধরনের অসংগতি পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।

গত সোমবার রাত ১০টার দিকে মহিবুল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য টঙ্গী পূর্ব থানায় আনা হয়। সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি স্বীকার করেছেন, ঘটনাটি তার নিজের ইচ্ছাতেই ঘটেছে।

পঞ্চগড়ে গত বৃহস্পতিবার তাকে শিকলবাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মহিবুল্লাহ একাই দ্রুত হেঁটে পঞ্চগড়ে পৌঁছেছেন। মোবাইল ট্র্যাকিং ও ফুটেজ বিশ্লেষণে তার সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা অ্যাম্বুলেন্সের উপস্থিতি ধরা পড়েনি। পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জনও নিশ্চিত করেছেন, শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই; শুধু ব্যথানাশক ওষুধ দেওয়া হয়েছে।

তদন্তকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, খতিব নিজেই নিজের পায়ে শিকল বেঁধেছিলেন এবং পুরো ঘটনাটি সাজানো নাটক ছিল। এছাড়াও, হুমকির চিঠি সংক্রান্ত অনুসন্ধান চলছে এবং ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গাজীপুরের খতিব নিখোঁজ সংক্রান্ত নতুন তথ্য দিয়ে আলজাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের জানান, চারটি ভিন্ন ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সকাল ৬টা ৫৪ মিনিটে এলাকা থেকে রওনা হয়ে মহিবুল্লাহ সকাল ৭টা ১৮ মিনিটে ফিলিং স্টেশনে পৌঁছান। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তাকে কোনোভাবে অপহরণ করা হয়নি; তিনি একাই দ্রুত গতিতে হাঁটছেন। নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যরাও নিশ্চিত করেছেন, ফিলিং স্টেশনের সামনে তাকে অপহরণ করা হয়নি।