ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যেভাবে পঞ্চগড় গেলেন মুফতি মুহিবুল্লাহ, দিলেন বর্ণনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, টঙ্গী (গাজীপুর)
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:১৬:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • / 157

যেভাবে পঞ্চগড় গেলেন মুফতি মুহিবুল্লাহ, দিলেন বর্ণনা

গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানার টিঅ্যান্ডটি বাজার জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহিবুল্লাহ মিয়াজী স্বীকার করেছেন যে তিনি নিজেই পঞ্চগড়ে গিয়েছিলেন।

ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি হাঁটতে বের হয়েছিলাম। হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ মনে হলো, সামনে এগিয়ে যাই। কোথায় যাচ্ছি, তা তখন আমি জানতাম না।”

তিনি আরও জানান, “এক পর্যায়ে একটি অটোরিকশা পাই, সেটায় উঠে মীরেরবাজারে নামি। তারপর ইচ্ছা হলো জয়দেবপুর যাই। সিএনজিতে করে সেখানে যাই। এরপর মাথায় এলো বাসে উঠি। বাসে উঠার পর কোথায় যেন নামি, মনে নেই—শ্যামলী বা অন্য কোথাও। পরে আবার আরেকটা বাসে উঠে গাবতলী যাই। সেখান থেকে হঠাৎ ভাবলাম, টিকিট কাটি। কোথায় যাব, বুঝতে না পেরে পঞ্চগড়ের টিকিট কেটে ফেলি।”

তিনি বলেন, “রাতে দেরিতে পঞ্চগড়ে পৌঁছাই। তারপর হেঁটে চলছিলাম—কোথায় যাচ্ছি, জানতাম না। হাঁটতে হাঁটতে দেখি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ লাইনস পেরিয়ে গেছি। একটু পরেই দেখি একটি লোহার শিকল পড়ে আছে, সেটা কুড়িয়ে নেই। এরপর প্রস্রাব করার সময় পায়জামায় প্রস্রাব লাগে, জামাতেও লাগে। তাই দুটোই খুলে ফেলি। কিন্তু ঠান্ডায় আর পরতে পারছিলাম না। তখন ওখানেই শুয়ে পড়ি এবং পায়ে শিকল বেঁধে ফেলি। কেন এমন করলাম, বুঝতে পারিনি—যা মাথায় আসছিল, তাই করছিলাম।”

এর আগে, গত ২৩ অক্টোবর সকালে পঞ্চগড় সদর থানার হেলিপ্যাড বাজার এলাকা থেকে পুলিশ মুফতি মুহিবুল্লাহ মিয়াজীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। তার হাত-পা লোহার শিকল দিয়ে একটি গাছে বাঁধা ছিল। উদ্ধার করে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যেভাবে পঞ্চগড় গেলেন মুফতি মুহিবুল্লাহ, দিলেন বর্ণনা

সর্বশেষ আপডেট ১০:১৬:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানার টিঅ্যান্ডটি বাজার জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহিবুল্লাহ মিয়াজী স্বীকার করেছেন যে তিনি নিজেই পঞ্চগড়ে গিয়েছিলেন।

ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি হাঁটতে বের হয়েছিলাম। হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ মনে হলো, সামনে এগিয়ে যাই। কোথায় যাচ্ছি, তা তখন আমি জানতাম না।”

তিনি আরও জানান, “এক পর্যায়ে একটি অটোরিকশা পাই, সেটায় উঠে মীরেরবাজারে নামি। তারপর ইচ্ছা হলো জয়দেবপুর যাই। সিএনজিতে করে সেখানে যাই। এরপর মাথায় এলো বাসে উঠি। বাসে উঠার পর কোথায় যেন নামি, মনে নেই—শ্যামলী বা অন্য কোথাও। পরে আবার আরেকটা বাসে উঠে গাবতলী যাই। সেখান থেকে হঠাৎ ভাবলাম, টিকিট কাটি। কোথায় যাব, বুঝতে না পেরে পঞ্চগড়ের টিকিট কেটে ফেলি।”

তিনি বলেন, “রাতে দেরিতে পঞ্চগড়ে পৌঁছাই। তারপর হেঁটে চলছিলাম—কোথায় যাচ্ছি, জানতাম না। হাঁটতে হাঁটতে দেখি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ লাইনস পেরিয়ে গেছি। একটু পরেই দেখি একটি লোহার শিকল পড়ে আছে, সেটা কুড়িয়ে নেই। এরপর প্রস্রাব করার সময় পায়জামায় প্রস্রাব লাগে, জামাতেও লাগে। তাই দুটোই খুলে ফেলি। কিন্তু ঠান্ডায় আর পরতে পারছিলাম না। তখন ওখানেই শুয়ে পড়ি এবং পায়ে শিকল বেঁধে ফেলি। কেন এমন করলাম, বুঝতে পারিনি—যা মাথায় আসছিল, তাই করছিলাম।”

এর আগে, গত ২৩ অক্টোবর সকালে পঞ্চগড় সদর থানার হেলিপ্যাড বাজার এলাকা থেকে পুলিশ মুফতি মুহিবুল্লাহ মিয়াজীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। তার হাত-পা লোহার শিকল দিয়ে একটি গাছে বাঁধা ছিল। উদ্ধার করে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।