ঢাকা ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‍‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি উৎসাহব্যঞ্জক’

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 165

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। ছবি : বাসস

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, ‘২০৩০ মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি উৎসাহব্যঞ্জক, আর কিছু ক্ষেত্রে স্থিত পর্যায়ে রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘সকলকে সাথে নিয়ে সমন্বিতভাবে এগিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্যখাতে বিদ্যমান সমস্যার জটিলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।’

রোববার (২৬ অক্টোবর) ঢাকায় সিরডাপ মিলনায়তনে ‘ফ্রম এভিডেন্স টু ওয়ে ফরওয়ার্ড : মিড টার্ম রিফ্লেকশনস অন হেলথ এসডিজি প্রগ্রেস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, মানুষের সুচিকিৎসা, সেবা প্রদান এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ইতোমধ্যে সাড়ে সাত হাজার ডাক্তারকে বিভিন্ন পদে পদোন্নতি, সাড়ে তিন হাজার ডাক্তার নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পথে এবং ইতোমধ্যে সাড়ে তিন হাজার নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য কর্মী ও প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগে কাজ করা হচ্ছে।

মা ও শিশু মৃত্যুহার আরও কমিয়ে আনতে অসংক্রামক রোগে মৃত্যুহার হ্রাস করতে এর কারণসমূহ উদঘাটন ও নিরাময়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

এসময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‍‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি উৎসাহব্যঞ্জক’

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, ‘২০৩০ মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি উৎসাহব্যঞ্জক, আর কিছু ক্ষেত্রে স্থিত পর্যায়ে রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘সকলকে সাথে নিয়ে সমন্বিতভাবে এগিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্যখাতে বিদ্যমান সমস্যার জটিলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।’

রোববার (২৬ অক্টোবর) ঢাকায় সিরডাপ মিলনায়তনে ‘ফ্রম এভিডেন্স টু ওয়ে ফরওয়ার্ড : মিড টার্ম রিফ্লেকশনস অন হেলথ এসডিজি প্রগ্রেস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, মানুষের সুচিকিৎসা, সেবা প্রদান এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ইতোমধ্যে সাড়ে সাত হাজার ডাক্তারকে বিভিন্ন পদে পদোন্নতি, সাড়ে তিন হাজার ডাক্তার নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পথে এবং ইতোমধ্যে সাড়ে তিন হাজার নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য কর্মী ও প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগে কাজ করা হচ্ছে।

মা ও শিশু মৃত্যুহার আরও কমিয়ে আনতে অসংক্রামক রোগে মৃত্যুহার হ্রাস করতে এর কারণসমূহ উদঘাটন ও নিরাময়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

এসময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।