ঢাকা ১১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

থানচিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩টি দোকানপাট পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৪২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 107

থানচিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩টি দোকানপাট পুড়ে ছাই

বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলিবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে অমল নামে এক চায়ের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে থানচি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অগ্নিকাণ্ডে বাজারের ১৩টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন থানচি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা পিআ মোহাম্মদ। তিনি জানান, চায়ের দোকানের চুলার উপরে শুকাতে রাখা লাকড়ি থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়।

ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অন্যতম সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য মাসিং উ মারমা জানান, তার দুটি দোকান—একটি বাজেমালের দোকান ও একটি ইলেকট্রনিকস শপ—সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। পরদিন তার ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। তিনি বলেন, “তিলে তিলে গড়া দুটি দোকানই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, কিছুই রক্ষা করতে পারিনি।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বলিবাজারে এর আগে আরও কয়েকবার বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, তবে এবার ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। তাঁরা বাজারে স্থায়ী অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ও দ্রুত সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

থানচিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩টি দোকানপাট পুড়ে ছাই

সর্বশেষ আপডেট ১২:৪২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলিবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে অমল নামে এক চায়ের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে থানচি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অগ্নিকাণ্ডে বাজারের ১৩টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন থানচি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা পিআ মোহাম্মদ। তিনি জানান, চায়ের দোকানের চুলার উপরে শুকাতে রাখা লাকড়ি থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়।

ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অন্যতম সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য মাসিং উ মারমা জানান, তার দুটি দোকান—একটি বাজেমালের দোকান ও একটি ইলেকট্রনিকস শপ—সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। পরদিন তার ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। তিনি বলেন, “তিলে তিলে গড়া দুটি দোকানই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, কিছুই রক্ষা করতে পারিনি।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বলিবাজারে এর আগে আরও কয়েকবার বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, তবে এবার ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। তাঁরা বাজারে স্থায়ী অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ও দ্রুত সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।