ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ডা. আবদুল্লাহ মো. তাহের

গণভোটে বিএনপি রাজি হলেও আবার প্যাঁচ দিচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • / 67

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াতের বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত

গণভোট আগে না হলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের জাতীয় নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। বুধবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।

ডা. তাহের বলেন, ‘গণভোটে বিএনপি রাজি হলেও নির্বাচনের দিনই চেয়ে জটিলতা সৃষ্টি করছে। কারণ মৌলিক বিষয় গণভোট, তার সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। আসলে বিএনপি গণভোট চায়নি, জণগণের চাপে রাজি হয়েছে। কিন্তু প্যাঁচ লাগিয়ে রেখেছে। জামায়াত চায় নভেম্বরের শেষে গণভোট হবে। পরে জাতীয় নির্বাচনের জন্য যথেষ্ট সময় থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এসেছিলাম প্রধান উপদেষ্টাকে কিছু বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। সরকারের করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করতে। আমরা দীর্ঘ আলোচনার পর সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য হয়ে একটি সনদ স্বাক্ষর করতে পেরেছি, এ কারণে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছি।’

জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, দীর্ঘ আলোচনার পর ৮০টির উপরে বিষয়ে একমত হয়েছি এবং সেইসব বিষয়কে দ্রুত আইনি ভিত্তি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি। বিশেষ করে আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য যে বিষয়গুলো প্রয়োজন, সেগুলোকে দ্রুত বাস্তবায়নের ঘোষণা দাবি করেছি।

তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন, এগুলো বাস্তবায়ন না হলে এই আলোচনার কোনো অর্থ থাকে না।

আমরা বলেছি, ‘গণভোট এবং জাতীয় নির্বাচন দুটো ভিন্ন ভিন্ন জিনিস আলাদা সময়ে হতে হবে। গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে নির্বাচনের অনেক বিষয়ে পরিবর্তন হবে। সে কারণে আগে অবশ্যই গণভোট হতে হবে।’

ডা. তাহের বলেন, ‘নোট অব ডিসেন্ট সংস্কারের কোনো আলোচনা হতে পারে না। নির্বাচন কমিশন, সচিবালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ একটি দলের। পুলিশ প্রশাসনেরও একই অবস্থা। আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকারকে বলেছি নির্বাচনের আগে যেখানে যেখানে রদবদল করা প্রয়োজন, সেটি করুন। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করার জন্য প্রশাসনকে নিরপেক্ষ হতে হবে। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনে লটারির মাধ্যমেও করতে পারেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ কে দেবেন, সে বিষয়ে আমরা বলেছি আইনের যদি কোনো ব্যত্যয় না ঘটে তাহলে প্রধান উপদেষ্টা এই আদেশ দেবেন।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ডা. আবদুল্লাহ মো. তাহের

গণভোটে বিএনপি রাজি হলেও আবার প্যাঁচ দিচ্ছে

সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

গণভোট আগে না হলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের জাতীয় নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। বুধবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।

ডা. তাহের বলেন, ‘গণভোটে বিএনপি রাজি হলেও নির্বাচনের দিনই চেয়ে জটিলতা সৃষ্টি করছে। কারণ মৌলিক বিষয় গণভোট, তার সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। আসলে বিএনপি গণভোট চায়নি, জণগণের চাপে রাজি হয়েছে। কিন্তু প্যাঁচ লাগিয়ে রেখেছে। জামায়াত চায় নভেম্বরের শেষে গণভোট হবে। পরে জাতীয় নির্বাচনের জন্য যথেষ্ট সময় থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এসেছিলাম প্রধান উপদেষ্টাকে কিছু বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। সরকারের করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করতে। আমরা দীর্ঘ আলোচনার পর সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য হয়ে একটি সনদ স্বাক্ষর করতে পেরেছি, এ কারণে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছি।’

জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, দীর্ঘ আলোচনার পর ৮০টির উপরে বিষয়ে একমত হয়েছি এবং সেইসব বিষয়কে দ্রুত আইনি ভিত্তি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি। বিশেষ করে আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য যে বিষয়গুলো প্রয়োজন, সেগুলোকে দ্রুত বাস্তবায়নের ঘোষণা দাবি করেছি।

তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন, এগুলো বাস্তবায়ন না হলে এই আলোচনার কোনো অর্থ থাকে না।

আমরা বলেছি, ‘গণভোট এবং জাতীয় নির্বাচন দুটো ভিন্ন ভিন্ন জিনিস আলাদা সময়ে হতে হবে। গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে নির্বাচনের অনেক বিষয়ে পরিবর্তন হবে। সে কারণে আগে অবশ্যই গণভোট হতে হবে।’

ডা. তাহের বলেন, ‘নোট অব ডিসেন্ট সংস্কারের কোনো আলোচনা হতে পারে না। নির্বাচন কমিশন, সচিবালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ একটি দলের। পুলিশ প্রশাসনেরও একই অবস্থা। আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকারকে বলেছি নির্বাচনের আগে যেখানে যেখানে রদবদল করা প্রয়োজন, সেটি করুন। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করার জন্য প্রশাসনকে নিরপেক্ষ হতে হবে। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনে লটারির মাধ্যমেও করতে পারেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ কে দেবেন, সে বিষয়ে আমরা বলেছি আইনের যদি কোনো ব্যত্যয় না ঘটে তাহলে প্রধান উপদেষ্টা এই আদেশ দেবেন।’