ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জোবায়েদ হত্যার দায় স্বীকার করেছে বর্ষা ও মাহির

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • / 146

জোবায়েদ হত্যার দায় স্বীকার করেছে বর্ষা ও মাহির

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জোবায়েদ হোসেনকে হত্যার দায় প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বর্ষা নামের ছাত্রী ও মাহির রহমান। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা আরও এক মাস আগে নেওয়া হয়েছিল।

বংশাল থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তারা হত্যার পরিকল্পনার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘ ৯ বছরের প্রেমের সম্পর্ক শেষ করার পর ওই ছাত্রী টিউশনির শিক্ষক জোবায়েদ হোসেনকে পছন্দ করতেন। প্রাক্তন প্রেমিক মাহির রহমানকে এ বিষয়টি জানান। সম্প্রতি জোবায়েদের প্রতি আগ্রহ হারানোর পর ২৫ সেপ্টেম্বর তারা একসঙ্গে হত্যার পরিকল্পনা করেন।”

পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত রোববার সন্ধ্যার আগে টিউশনিতে যাওয়ার সময় মাহির রহমান আরমানিটোলার নুরবক্স রোডের রৌশান ভিলার নিচতলায় জোবায়েদকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বন্ধু ফারদিন আহম্মেদ আয়লান। জোবায়েদের অবস্থান ও অন্যান্য বিষয়গুলোতে সহযোগিতা করেন বর্ষা।

জোবায়েদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি একই সঙ্গে জবিস্থ কুমিল্লা জেলা ছাত্র কল্যাণের সভাপতি ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য ছিলেন। গত এক বছর ধরে তিনি আরমানিটোলার নুরবক্স লেনের রৌশান ভিলায় বর্ষাকে ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি ও বায়োলজি পড়াতেন।

রোববার আনুমানিক বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে ছাত্রীর বাসার তিন তলায় তিনি খুন হন। বাসার নিচতলা থেকে তিন তলা পর্যন্ত সিঁড়িতে রক্তের দাগ দেখা যায়। তিন তলায় সিঁড়িতে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় জোবায়েদকে।

ঘটনার রাতেই পুলিশ ওই মেয়েকে হেফাজতে নেয়। পরদিন প্রধান আসামি মাহির রহমান ও তার সহযোগী ফারদিন আহম্মেদ আয়লানকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জোবায়েদ হত্যার দায় স্বীকার করেছে বর্ষা ও মাহির

সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জোবায়েদ হোসেনকে হত্যার দায় প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বর্ষা নামের ছাত্রী ও মাহির রহমান। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা আরও এক মাস আগে নেওয়া হয়েছিল।

বংশাল থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তারা হত্যার পরিকল্পনার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘ ৯ বছরের প্রেমের সম্পর্ক শেষ করার পর ওই ছাত্রী টিউশনির শিক্ষক জোবায়েদ হোসেনকে পছন্দ করতেন। প্রাক্তন প্রেমিক মাহির রহমানকে এ বিষয়টি জানান। সম্প্রতি জোবায়েদের প্রতি আগ্রহ হারানোর পর ২৫ সেপ্টেম্বর তারা একসঙ্গে হত্যার পরিকল্পনা করেন।”

পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত রোববার সন্ধ্যার আগে টিউশনিতে যাওয়ার সময় মাহির রহমান আরমানিটোলার নুরবক্স রোডের রৌশান ভিলার নিচতলায় জোবায়েদকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বন্ধু ফারদিন আহম্মেদ আয়লান। জোবায়েদের অবস্থান ও অন্যান্য বিষয়গুলোতে সহযোগিতা করেন বর্ষা।

জোবায়েদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি একই সঙ্গে জবিস্থ কুমিল্লা জেলা ছাত্র কল্যাণের সভাপতি ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য ছিলেন। গত এক বছর ধরে তিনি আরমানিটোলার নুরবক্স লেনের রৌশান ভিলায় বর্ষাকে ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি ও বায়োলজি পড়াতেন।

রোববার আনুমানিক বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে ছাত্রীর বাসার তিন তলায় তিনি খুন হন। বাসার নিচতলা থেকে তিন তলা পর্যন্ত সিঁড়িতে রক্তের দাগ দেখা যায়। তিন তলায় সিঁড়িতে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় জোবায়েদকে।

ঘটনার রাতেই পুলিশ ওই মেয়েকে হেফাজতে নেয়। পরদিন প্রধান আসামি মাহির রহমান ও তার সহযোগী ফারদিন আহম্মেদ আয়লানকেও গ্রেপ্তার করা হয়।