ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথ ছাত্রদল নেতা হত্যা: অভিযুক্ত মাহিরকে পুলিশে দিলেন মা

নিজস্ব প্রতিবদেক, জবি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 143

জগন্নাথ ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হোসেন হত্যা মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন মাহির রহমানকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন তার মা রেখা আক্তার। রোববার রাতভর অভিযান চালানোর পর সোমবার (২০ অক্টোবর) ভোরে মাহিরের মা নিজে তাকে নিয়ে বংশাল থানায় হাজির হন এবং আত্মসমর্পণ করান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে থানা পুলিশ।

তবে দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এর আগে, গত রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় টিউশনি করতে যাওয়ার পথে খুন হন জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসেন। পরে একটি বাড়ির সিঁড়ি থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা গেছে, মাহির ছাড়াও এই হত্যার সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে আরো কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

নিহত জুবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত জানান, ছাত্রী বর্ষা, তার বাবা-মা, বর্ষার প্রেমিক মাহির রহমান এবং মাহিরের বন্ধু নাফিসকে আসামি করে মামলা করতে চেয়েছেন। তবে মামলার বিষয়ে থানায় বাধার অভিযোগও করেন তিনি।

এনায়েত হোসেন সৈকতের দাবি, ‘বংশাল থানার ওসি আমাদের জানান, এতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে মামলাটা দুর্বল হয়ে যাবে। বিশেষ করে বর্ষার বাবা-মায়ের নাম দিলে মামলা হালকা হয়ে যাবে বলেও তিনি মত দেন।’

সৈকত আরো বলেন, ‘আমরা চাই, হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সবাই যেন বিচারের আওতায় আসে। ভাইয়ের হত্যার ন্যায়বিচারই আমাদের একমাত্র চাওয়া।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জগন্নাথ ছাত্রদল নেতা হত্যা: অভিযুক্ত মাহিরকে পুলিশে দিলেন মা

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হোসেন হত্যা মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন মাহির রহমানকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন তার মা রেখা আক্তার। রোববার রাতভর অভিযান চালানোর পর সোমবার (২০ অক্টোবর) ভোরে মাহিরের মা নিজে তাকে নিয়ে বংশাল থানায় হাজির হন এবং আত্মসমর্পণ করান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে থানা পুলিশ।

তবে দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এর আগে, গত রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় টিউশনি করতে যাওয়ার পথে খুন হন জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসেন। পরে একটি বাড়ির সিঁড়ি থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা গেছে, মাহির ছাড়াও এই হত্যার সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে আরো কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

নিহত জুবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত জানান, ছাত্রী বর্ষা, তার বাবা-মা, বর্ষার প্রেমিক মাহির রহমান এবং মাহিরের বন্ধু নাফিসকে আসামি করে মামলা করতে চেয়েছেন। তবে মামলার বিষয়ে থানায় বাধার অভিযোগও করেন তিনি।

এনায়েত হোসেন সৈকতের দাবি, ‘বংশাল থানার ওসি আমাদের জানান, এতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে মামলাটা দুর্বল হয়ে যাবে। বিশেষ করে বর্ষার বাবা-মায়ের নাম দিলে মামলা হালকা হয়ে যাবে বলেও তিনি মত দেন।’

সৈকত আরো বলেন, ‘আমরা চাই, হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সবাই যেন বিচারের আওতায় আসে। ভাইয়ের হত্যার ন্যায়বিচারই আমাদের একমাত্র চাওয়া।’