ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ঋণ জালিয়াতি

আতিউর-বারকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 130

জনতা ব্যাংক থেকে প্রায় ২৯৭ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি ও আত্মসাতের মামলায় সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল বারকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।সোমবার (২০ অক্টোবর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ব্যাংক থেকে মর্টগেজ (বন্ধক) নেওয়া জমিতে বাস্তবে কোনো ভবন বা স্থাপনা না থাকা সত্ত্বেও ঋণগ্রহীতা মালিক হওয়ার আগেই ৩ কোটি ৪ লাখ ৯৬ হাজার টাকায় স্থাপনাবিহীন জমি ক্রয় করে—তা প্রায় ৬ হাজার ৯৯ মিলিয়ন টাকায় মূল্যায়ন দেখিয়ে বিআরপিডি সার্কুলার নং ০৫/২০০৫ এবং এমওইই নির্দেশনা লঙ্ঘন করে ঋণ অনুমোদন ও বিতরণের মাধ্যমে মোট ২৯৭ কোটি ৩৮ লাখ ৮৭ হাজার ২৯৬ টাকা আত্মসাৎ করা হয়।

সূত্র জানায়, আতিউর রহমান ও আবুল বারকাত ছাড়াও চার্জশিটভুক্ত অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— জনতা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুছ ছালাম আজাদ, সাবেক পরিচালক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ, নাগিবুল ইসলাম দীপু, ড. আর এম দেবনাথ, আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান এবং মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনসহ ২৬ জন।

সূত্র জানায়, তবে তদন্তকালে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের পরিচালক মো. আবু তালহা, জনতা ব্যাংকের সাবেক এমডি মো. আব্দুল জব্বার এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মোছাম্মৎ ইসমত আরা বেগমকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

দুদক জানায়, মামলার এজাহারে প্রথমে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পরে তদন্তকালে তিনজনের নামে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তদন্তকালে আরও ছয়জনের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাদের নাম চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ঋণ জালিয়াতি

আতিউর-বারকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

জনতা ব্যাংক থেকে প্রায় ২৯৭ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি ও আত্মসাতের মামলায় সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল বারকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।সোমবার (২০ অক্টোবর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ব্যাংক থেকে মর্টগেজ (বন্ধক) নেওয়া জমিতে বাস্তবে কোনো ভবন বা স্থাপনা না থাকা সত্ত্বেও ঋণগ্রহীতা মালিক হওয়ার আগেই ৩ কোটি ৪ লাখ ৯৬ হাজার টাকায় স্থাপনাবিহীন জমি ক্রয় করে—তা প্রায় ৬ হাজার ৯৯ মিলিয়ন টাকায় মূল্যায়ন দেখিয়ে বিআরপিডি সার্কুলার নং ০৫/২০০৫ এবং এমওইই নির্দেশনা লঙ্ঘন করে ঋণ অনুমোদন ও বিতরণের মাধ্যমে মোট ২৯৭ কোটি ৩৮ লাখ ৮৭ হাজার ২৯৬ টাকা আত্মসাৎ করা হয়।

সূত্র জানায়, আতিউর রহমান ও আবুল বারকাত ছাড়াও চার্জশিটভুক্ত অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— জনতা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুছ ছালাম আজাদ, সাবেক পরিচালক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ, নাগিবুল ইসলাম দীপু, ড. আর এম দেবনাথ, আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান এবং মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনসহ ২৬ জন।

সূত্র জানায়, তবে তদন্তকালে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের পরিচালক মো. আবু তালহা, জনতা ব্যাংকের সাবেক এমডি মো. আব্দুল জব্বার এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মোছাম্মৎ ইসমত আরা বেগমকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

দুদক জানায়, মামলার এজাহারে প্রথমে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পরে তদন্তকালে তিনজনের নামে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তদন্তকালে আরও ছয়জনের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাদের নাম চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।