ঢাকা ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:২৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 78

প্রতীকী ছবি

সারাদেশের ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ২৪৯ জন। একদিনে নতুন করে ৯৪২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই নিয়ে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৬০ হাজার ৭৯১। সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুইজন রাজশাহী বিভাগের, একজন ময়মনসিংহ বিভাগের এবং একজন ঢাকা দক্ষিণ সিটির। এ সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৯১ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, নতুন আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৬৫.৩ শতাংশই পুরুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২১ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের সংখ্যা।

চলতি বছর ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে গত সেপ্টেম্বর মাসে। তবে চলতি অক্টোবর মাসে এখন পর্যন্ত মৃত্যু ও সংক্রমণ আগের যেকোনো মাসের চেয়ে বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টিপাত ও অপর্যাপ্ত মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের কারণে সংক্রমণ পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ০৫:২৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

সারাদেশের ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ২৪৯ জন। একদিনে নতুন করে ৯৪২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই নিয়ে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৬০ হাজার ৭৯১। সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুইজন রাজশাহী বিভাগের, একজন ময়মনসিংহ বিভাগের এবং একজন ঢাকা দক্ষিণ সিটির। এ সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৯১ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, নতুন আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৬৫.৩ শতাংশই পুরুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২১ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের সংখ্যা।

চলতি বছর ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে গত সেপ্টেম্বর মাসে। তবে চলতি অক্টোবর মাসে এখন পর্যন্ত মৃত্যু ও সংক্রমণ আগের যেকোনো মাসের চেয়ে বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টিপাত ও অপর্যাপ্ত মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের কারণে সংক্রমণ পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে।