ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দাবি না মানলে দেশজুড়ে ডিম-মুরগি উৎপাদন বন্ধের হুঁশিয়ারি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:০১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • / 95

দাবি না মানলে দেশজুড়ে ডিম-মুরগি উৎপাদন বন্ধের হুঁশিয়ারি

৭ দফা দাবি না মানলে সারাদেশে ডিম-মুরগি উৎপাদন বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিপিএর সুমন হাওলাদার জানান, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সরকার তাদের ৭ দফা দাবি মেনে না নিলে ১ নভেম্বর থেকে প্রান্তিক খামারিরা ধাপে ধাপে খামার বন্ধ করে দেবেন এবং ডিম-মুরগি উৎপাদন স্থগিত হবে। তিনি বলেন, “সরকার যতদিন আমাদের দাবি মেনে না নেবে, ততদিন আমাদের অবরোধ চলবে।”

বিপিএর অভিযোগ, দেশের ৮০ শতাংশ ডিম ও মুরগি উৎপাদন করছে প্রান্তিক খামারিরা, কিন্তু খাতের সিদ্ধান্তে তাদের অংশগ্রহণ নেই। কয়েকটি কোম্পানির স্বার্থ এবং সরকারের নজরদারির অভাবে খামারিরা বারবার ক্ষতির মুখে পড়ছেন। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশে ডিম ও মুরগি কম দামে বিক্রি হলেও দেশে দাম বেশি হওয়ায় সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

বিপিএর সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খন্দকার সংবাদ সম্মেলনে লিখিত ৭ দফা দাবি তুলে ধরেন:

১. কর্পোরেট সিন্ডিকেট ভেঙে ফিড, মুরগির বাচ্চা, মেডিসিন/ভ্যাকসিনের দাম সরকার নির্ধারণ করবে।
২. অবিলম্বে কর্পোরেট প্রভাবমুক্ত, ন্যায্য ও স্বচ্ছ বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
৩. প্রান্তিক খামারিদের প্রতিনিধিদের নীতিনির্ধারনী পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করা।
৪. ফিড, বাচ্চা ও ওষুধের বাজারে নিয়মিত অডিট ব্যবস্থা চালু করা।
৫. উৎপাদন খরচ অনুযায়ী ১০ শতাংশ লাভ যুক্ত করে ডিম ও মুরগির ন্যায্য দাম নির্ধারণ।
৬. ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের জন্য প্রণোদনা, সহজ শর্তে জামানতবিহীন ঋণ ও ভর্তুকি প্রদান।
৭. দুর্নীতিগ্রস্ত ও কর্পোরেটপন্থি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।

বিপিএ উল্লেখ করেছে, যতদিন পর্যন্ত সরকার সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারবে, ততদিন ডিম-মুরগির বাজারে স্বস্তি ফিরবে না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দাবি না মানলে দেশজুড়ে ডিম-মুরগি উৎপাদন বন্ধের হুঁশিয়ারি

সর্বশেষ আপডেট ০২:০১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

৭ দফা দাবি না মানলে সারাদেশে ডিম-মুরগি উৎপাদন বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিপিএর সুমন হাওলাদার জানান, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সরকার তাদের ৭ দফা দাবি মেনে না নিলে ১ নভেম্বর থেকে প্রান্তিক খামারিরা ধাপে ধাপে খামার বন্ধ করে দেবেন এবং ডিম-মুরগি উৎপাদন স্থগিত হবে। তিনি বলেন, “সরকার যতদিন আমাদের দাবি মেনে না নেবে, ততদিন আমাদের অবরোধ চলবে।”

বিপিএর অভিযোগ, দেশের ৮০ শতাংশ ডিম ও মুরগি উৎপাদন করছে প্রান্তিক খামারিরা, কিন্তু খাতের সিদ্ধান্তে তাদের অংশগ্রহণ নেই। কয়েকটি কোম্পানির স্বার্থ এবং সরকারের নজরদারির অভাবে খামারিরা বারবার ক্ষতির মুখে পড়ছেন। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশে ডিম ও মুরগি কম দামে বিক্রি হলেও দেশে দাম বেশি হওয়ায় সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

বিপিএর সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খন্দকার সংবাদ সম্মেলনে লিখিত ৭ দফা দাবি তুলে ধরেন:

১. কর্পোরেট সিন্ডিকেট ভেঙে ফিড, মুরগির বাচ্চা, মেডিসিন/ভ্যাকসিনের দাম সরকার নির্ধারণ করবে।
২. অবিলম্বে কর্পোরেট প্রভাবমুক্ত, ন্যায্য ও স্বচ্ছ বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
৩. প্রান্তিক খামারিদের প্রতিনিধিদের নীতিনির্ধারনী পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করা।
৪. ফিড, বাচ্চা ও ওষুধের বাজারে নিয়মিত অডিট ব্যবস্থা চালু করা।
৫. উৎপাদন খরচ অনুযায়ী ১০ শতাংশ লাভ যুক্ত করে ডিম ও মুরগির ন্যায্য দাম নির্ধারণ।
৬. ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের জন্য প্রণোদনা, সহজ শর্তে জামানতবিহীন ঋণ ও ভর্তুকি প্রদান।
৭. দুর্নীতিগ্রস্ত ও কর্পোরেটপন্থি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।

বিপিএ উল্লেখ করেছে, যতদিন পর্যন্ত সরকার সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারবে, ততদিন ডিম-মুরগির বাজারে স্বস্তি ফিরবে না।