ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
জুলাই-আগস্টে হত্যাযজ্ঞ

শেখ হাসিনা-আসাদুজ্জামান খানের মৃত্যুদণ্ডের আবেদন

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:২৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 174

শেখ হাসিনা-আসাদুজ্জামান খান কামাল। ফাইল ছবি

জুলাই-আগস্টে হত্যাযজ্ঞের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আবেদন জানিয়েছে প্রসিকিউশন। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ তাদের শাস্তির জন্য আবেদন জানানো হয়।

একইসঙ্গে রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের শাস্তির বিষয় আদালতের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানান, শেখ হাসিনা ছিলেন অপরাধের নিউক্লিয়াস ও প্রাণভ্রোমরা। তাকে শাস্তির মুখোমুখি করতেই হবে। রাজসাক্ষী হওয়ায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন ট্রাইব্যুনাল। অপরাধীদের সম্পত্তি বিক্রি করে শহীদ ও আহত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আবেদন করেছে প্রসিকিউশন।

আগামী সোমবার এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী। সেটি শেষ হলে মামলাটি রায়ের দিকে যাবে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ১৪০০ ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়েছে। একজন মানুষকে হত্যার জন্য যদি একবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, তাহলে ১৪০০ মানুষকে হত্যার দায়ে শেখ হাসিনাকে ১৪০০ বার ফাঁসি দিতে হবে। কিন্তু আইনে এটা সম্ভব নয়। এজন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আমরা তার চরম দণ্ড দেওয়ার জন্য আবেদন করছি।

যদি তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয় তাহলে ন্যায়বিচার পাবে দেশের জনগণ, যোগ করেন তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জুলাই-আগস্টে হত্যাযজ্ঞ

শেখ হাসিনা-আসাদুজ্জামান খানের মৃত্যুদণ্ডের আবেদন

সর্বশেষ আপডেট ০২:২৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই-আগস্টে হত্যাযজ্ঞের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আবেদন জানিয়েছে প্রসিকিউশন। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ তাদের শাস্তির জন্য আবেদন জানানো হয়।

একইসঙ্গে রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের শাস্তির বিষয় আদালতের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানান, শেখ হাসিনা ছিলেন অপরাধের নিউক্লিয়াস ও প্রাণভ্রোমরা। তাকে শাস্তির মুখোমুখি করতেই হবে। রাজসাক্ষী হওয়ায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন ট্রাইব্যুনাল। অপরাধীদের সম্পত্তি বিক্রি করে শহীদ ও আহত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আবেদন করেছে প্রসিকিউশন।

আগামী সোমবার এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী। সেটি শেষ হলে মামলাটি রায়ের দিকে যাবে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ১৪০০ ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়েছে। একজন মানুষকে হত্যার জন্য যদি একবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, তাহলে ১৪০০ মানুষকে হত্যার দায়ে শেখ হাসিনাকে ১৪০০ বার ফাঁসি দিতে হবে। কিন্তু আইনে এটা সম্ভব নয়। এজন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আমরা তার চরম দণ্ড দেওয়ার জন্য আবেদন করছি।

যদি তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয় তাহলে ন্যায়বিচার পাবে দেশের জনগণ, যোগ করেন তিনি।