ঢাকা ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
রাশেদ খান

এনসিপির চেয়ে ৫ গুণ বড় দল গণ অধিকার পরিষদ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • / 139

গণ-অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান

গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চেয়ে গণ অধিকার পরিষদ অন্তত পাঁচ গুণ বড় রাজনৈতিক দল। তিনি আরও জানান, আপাতত দুটি দলের একীভূত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

সম্প্রতি কালের কণ্ঠের ‘কালের সংলাপ’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে রাশেদ খান বলেন, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রায়ই দাবি করেন—গণ অধিকার পরিষদ তাদের দলের সঙ্গে যোগ দিতে চায়। কিন্তু এই দাবিটি মিথ্যা এবং গণ অধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ এনসিপির সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য আগ্রহী নয়। রাশেদ খান প্রশ্ন তুলেছেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কোন দলের নেতা ছিলেন, যিনি ইতিমধ্যেই চার-পাঁচটি দল বদল করেছেন।

তিনি বলেন, এনসিপির নেতাদের মিথ্যাচার এবং বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের কারণে গণ অধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ ক্ষুব্ধ। একীভূত হওয়ার যে চেষ্টা ছিল, সেটিতে তারা আর সম্মতি দেয়নি। এনসিপি নেতারা যদি এসব কথা বন্ধ না করেন, তবে দুই দলের একীভূত হওয়া সম্ভব হবে না। তবে গণ অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে আন্তরিকতার ইঙ্গিত রয়েছে।

রাশেদ খানের দাবি, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকেও গণ অধিকার পরিষদকে গুরুত্ব না দিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, উপদেষ্টা পরিষদ গণ অধিকার পরিষদকে ভয় পায়, কারণ তারা মনে করে, যদি তরুণদের দুটি দল—এনসিপি ও গণ অধিকার পরিষদ—সমান সুযোগ পায়, তাহলে দলটির সাম্যতা নিশ্চিত হবে এবং এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। তিনি পুনরায় উল্লেখ করেন, এনসিপি থেকে গণ অধিকার পরিষদ অন্তত পাঁচ গুণ বড় দল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রাশেদ খান

এনসিপির চেয়ে ৫ গুণ বড় দল গণ অধিকার পরিষদ

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চেয়ে গণ অধিকার পরিষদ অন্তত পাঁচ গুণ বড় রাজনৈতিক দল। তিনি আরও জানান, আপাতত দুটি দলের একীভূত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

সম্প্রতি কালের কণ্ঠের ‘কালের সংলাপ’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে রাশেদ খান বলেন, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রায়ই দাবি করেন—গণ অধিকার পরিষদ তাদের দলের সঙ্গে যোগ দিতে চায়। কিন্তু এই দাবিটি মিথ্যা এবং গণ অধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ এনসিপির সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য আগ্রহী নয়। রাশেদ খান প্রশ্ন তুলেছেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কোন দলের নেতা ছিলেন, যিনি ইতিমধ্যেই চার-পাঁচটি দল বদল করেছেন।

তিনি বলেন, এনসিপির নেতাদের মিথ্যাচার এবং বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের কারণে গণ অধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ ক্ষুব্ধ। একীভূত হওয়ার যে চেষ্টা ছিল, সেটিতে তারা আর সম্মতি দেয়নি। এনসিপি নেতারা যদি এসব কথা বন্ধ না করেন, তবে দুই দলের একীভূত হওয়া সম্ভব হবে না। তবে গণ অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে আন্তরিকতার ইঙ্গিত রয়েছে।

রাশেদ খানের দাবি, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকেও গণ অধিকার পরিষদকে গুরুত্ব না দিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, উপদেষ্টা পরিষদ গণ অধিকার পরিষদকে ভয় পায়, কারণ তারা মনে করে, যদি তরুণদের দুটি দল—এনসিপি ও গণ অধিকার পরিষদ—সমান সুযোগ পায়, তাহলে দলটির সাম্যতা নিশ্চিত হবে এবং এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। তিনি পুনরায় উল্লেখ করেন, এনসিপি থেকে গণ অধিকার পরিষদ অন্তত পাঁচ গুণ বড় দল।