ঢাকা ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারের নির্দেশে জাপার সমাবেশে পুলিশের হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:১২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
  • / 121

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন শামীম হায়দার পাটওয়ারী

শনিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বানে অনুষ্ঠিত কর্মী সমাবেশে হামলার প্রতিবাদে এক সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বক্তব্য রাখেন। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, ইকবাল হোসেন তাপস, ভাইস চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন হেলাল, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিরু, তরুণ পার্টির সদস্য সচিব জিয়াউর রহমান, মোটর শ্রমিক পার্টির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শিপনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সম্মেলনে মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, “আমরা একটি পূর্বনির্ধারিত কর্মী সমাবেশের আয়োজন করেছিলাম এবং বিষয়টি পুলিশকে মৌখিক ও লিখিতভাবে জানানো হয়েছিল। সাধারণত একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ের সামনে নিজেদের সমাবেশ আয়োজন করা স্বাভাবিক বিষয়। আমাদের সমাবেশ ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে পুলিশ কোনো উসকানি ছাড়াই আমাদের কর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও জলকামান দিয়ে গরম পানি ছুড়ে আক্রমণ করে। এতে বহু নেতা-কর্মী আহত হন এবং পদদলিত হয়ে হতাহতের আশঙ্কা দেখা দেয়।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা মনে করি, এই হামলা সরকারের নির্দেশেই চালানো হয়েছে। এতে সরকারের ভেতরে এক ধরনের নব্য ফ্যাসিবাদের রূপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সারা দেশে জাতীয় পার্টির পুনর্জাগরণ দেখে হয়তো সরকার বা কেউ কেউ ঈর্ষান্বিত হয়ে দমননীতি অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সরকারের নির্দেশে জাপার সমাবেশে পুলিশের হামলা

সর্বশেষ আপডেট ০৮:১২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

শনিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বানে অনুষ্ঠিত কর্মী সমাবেশে হামলার প্রতিবাদে এক সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বক্তব্য রাখেন। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, ইকবাল হোসেন তাপস, ভাইস চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন হেলাল, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিরু, তরুণ পার্টির সদস্য সচিব জিয়াউর রহমান, মোটর শ্রমিক পার্টির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শিপনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সম্মেলনে মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, “আমরা একটি পূর্বনির্ধারিত কর্মী সমাবেশের আয়োজন করেছিলাম এবং বিষয়টি পুলিশকে মৌখিক ও লিখিতভাবে জানানো হয়েছিল। সাধারণত একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ের সামনে নিজেদের সমাবেশ আয়োজন করা স্বাভাবিক বিষয়। আমাদের সমাবেশ ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে পুলিশ কোনো উসকানি ছাড়াই আমাদের কর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও জলকামান দিয়ে গরম পানি ছুড়ে আক্রমণ করে। এতে বহু নেতা-কর্মী আহত হন এবং পদদলিত হয়ে হতাহতের আশঙ্কা দেখা দেয়।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা মনে করি, এই হামলা সরকারের নির্দেশেই চালানো হয়েছে। এতে সরকারের ভেতরে এক ধরনের নব্য ফ্যাসিবাদের রূপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সারা দেশে জাতীয় পার্টির পুনর্জাগরণ দেখে হয়তো সরকার বা কেউ কেউ ঈর্ষান্বিত হয়ে দমননীতি অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।”