ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এনসিপি নেতাদের উদ্দেশে যা বললেন রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
  • / 282

এনসিপি নেতাদের উদ্দেশে যা বললেন রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এনসিপি নেতারা যদি শাপলার প্রতীক না পান, তবে ধানের শীষ দেওয়া হবে না—এ ধরনের বিতর্ক তৈরি করে কেন সময় নষ্ট করছেন। তিনি এ মন্তব্য করেন শনিবার (১১ অক্টোবর) গাজীপুর জেলা শহরের রাজবাড়ী মাঠে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ও ফরম বিতরণ কর্মসূচি ২০২৫ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে।

রিজভী বলেন, “আপনারা চেয়েছেন শাপলা। নির্বাচনের প্রতীক নিয়ে আপনারা নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে কথা বলুন। শাপলা জাতীয় প্রতীক, জাতীয় ফুল এবং মানুষের কাছে আলাদা শ্রদ্ধার প্রতীক। দলীয় বক্তব্য আপনারা রাখতে পারেন, কিন্তু ধানের শীষের সঙ্গে কেন যুক্ত করছেন?”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ধানের শীষ ৪৭ বছর ধরে নির্বাচনের প্রতীক। এর আগে এটি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর দলের প্রতীক ছিল। পরে বিভিন্ন দল একত্রিত হয়ে বিএনপি গঠনের সময় ধানের শীষ বিএনপির প্রতীক হিসেবে স্থায়ী হয়। রিজভী বলেন, “এটা যেন বাড়ির আবদারের মতো—ছোট ভাই বলছে যদি এই চকলেট না দেওয়া হয়, বড় ভাইকেও দেওয়া হবে না। ধানের শীষ আপনার জন্মের আগে থেকেই বিএনপির প্রতীক, আর এখন এটি কাউন্টার করা হচ্ছে।”

স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে রিজভী বলেন, “অনেকে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে চক্রান্ত চালাচ্ছেন। পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। দেশের বিভিন্ন সম্পত্তি ও ভূমি নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে।”

নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “জনগণের কাছে ভীতি সৃষ্টি করে যারা বিএনপির সদস্য হতে চায় না। দুর্নীতিবাজরা বিএনপির সদস্য হতে পারবে না। কারখানার শ্রমিক, কৃষক, শিক্ষক ও চাকরিজীবী যাদের রাজনৈতিক অধিকার আছে, সবাই সদস্য হতে পারবে। অপরাধীরা বিএনপির সদস্য হতে পারবে না, এটা আমাদের নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা আছে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার। মহানগর সাধারণ সম্পাদক এম মঞ্জুরুল করিম রনির সঞ্চালনায় অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন—ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাজহারুল আলম, মাহবুবুল ইসলাম, যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু, ডা. জাহিদুল কবির এবং তৌহিদুর রহমান আওয়াল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এনসিপি নেতাদের উদ্দেশে যা বললেন রিজভী

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এনসিপি নেতারা যদি শাপলার প্রতীক না পান, তবে ধানের শীষ দেওয়া হবে না—এ ধরনের বিতর্ক তৈরি করে কেন সময় নষ্ট করছেন। তিনি এ মন্তব্য করেন শনিবার (১১ অক্টোবর) গাজীপুর জেলা শহরের রাজবাড়ী মাঠে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ও ফরম বিতরণ কর্মসূচি ২০২৫ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে।

রিজভী বলেন, “আপনারা চেয়েছেন শাপলা। নির্বাচনের প্রতীক নিয়ে আপনারা নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে কথা বলুন। শাপলা জাতীয় প্রতীক, জাতীয় ফুল এবং মানুষের কাছে আলাদা শ্রদ্ধার প্রতীক। দলীয় বক্তব্য আপনারা রাখতে পারেন, কিন্তু ধানের শীষের সঙ্গে কেন যুক্ত করছেন?”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ধানের শীষ ৪৭ বছর ধরে নির্বাচনের প্রতীক। এর আগে এটি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর দলের প্রতীক ছিল। পরে বিভিন্ন দল একত্রিত হয়ে বিএনপি গঠনের সময় ধানের শীষ বিএনপির প্রতীক হিসেবে স্থায়ী হয়। রিজভী বলেন, “এটা যেন বাড়ির আবদারের মতো—ছোট ভাই বলছে যদি এই চকলেট না দেওয়া হয়, বড় ভাইকেও দেওয়া হবে না। ধানের শীষ আপনার জন্মের আগে থেকেই বিএনপির প্রতীক, আর এখন এটি কাউন্টার করা হচ্ছে।”

স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে রিজভী বলেন, “অনেকে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে চক্রান্ত চালাচ্ছেন। পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। দেশের বিভিন্ন সম্পত্তি ও ভূমি নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে।”

নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “জনগণের কাছে ভীতি সৃষ্টি করে যারা বিএনপির সদস্য হতে চায় না। দুর্নীতিবাজরা বিএনপির সদস্য হতে পারবে না। কারখানার শ্রমিক, কৃষক, শিক্ষক ও চাকরিজীবী যাদের রাজনৈতিক অধিকার আছে, সবাই সদস্য হতে পারবে। অপরাধীরা বিএনপির সদস্য হতে পারবে না, এটা আমাদের নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা আছে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার। মহানগর সাধারণ সম্পাদক এম মঞ্জুরুল করিম রনির সঞ্চালনায় অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন—ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাজহারুল আলম, মাহবুবুল ইসলাম, যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু, ডা. জাহিদুল কবির এবং তৌহিদুর রহমান আওয়াল।