ঢাকা ০১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৫৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৩:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 270

ফরিদপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৫৫

ফরিদপুরের সালথায় মসজিদের চাবি নিয়ে বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত ২৫ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনা ঘটে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে ১০টার মধ্যে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বাহিরদিয়া গ্রামে। সংঘর্ষ চলাকালীন দুটি বাড়ি ও একটি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রামকান্তপুর ইউনিয়নের বাহিরদিয়া গ্রামের লুৎফর রহমান ও ইমরান মোল্লার সঙ্গে হেমায়েত হোসেনের বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে হেমায়েত হোসেনের সমর্থকরা স্থানীয় মসজিদের দরজার চাবি চাইলে, তা না দেওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।

এরপর উত্তেজনা চলতে থাকে। খবর পেয়ে রাতের দিকে পুলিশ, বাহিরদিয়া মাদরাসার আলেমা-ওলামা ও বিএনপি নেতারা এসে ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা করেন এবং উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেন। কিন্তু শুক্রবার সকালে হেমায়েত হোসেনের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ইমরানের বাড়িতে হামলা চালায়। এরপর দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া প্রায় তিন ঘণ্টা চলে।

লুৎফর রহমান ও ইমরান মোল্লার সঙ্গে এই বিষয়ে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকার পরিবেশ শান্ত রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফরিদপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৫৫

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৩:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

ফরিদপুরের সালথায় মসজিদের চাবি নিয়ে বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত ২৫ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনা ঘটে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে ১০টার মধ্যে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বাহিরদিয়া গ্রামে। সংঘর্ষ চলাকালীন দুটি বাড়ি ও একটি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রামকান্তপুর ইউনিয়নের বাহিরদিয়া গ্রামের লুৎফর রহমান ও ইমরান মোল্লার সঙ্গে হেমায়েত হোসেনের বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে হেমায়েত হোসেনের সমর্থকরা স্থানীয় মসজিদের দরজার চাবি চাইলে, তা না দেওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।

এরপর উত্তেজনা চলতে থাকে। খবর পেয়ে রাতের দিকে পুলিশ, বাহিরদিয়া মাদরাসার আলেমা-ওলামা ও বিএনপি নেতারা এসে ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা করেন এবং উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেন। কিন্তু শুক্রবার সকালে হেমায়েত হোসেনের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ইমরানের বাড়িতে হামলা চালায়। এরপর দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া প্রায় তিন ঘণ্টা চলে।

লুৎফর রহমান ও ইমরান মোল্লার সঙ্গে এই বিষয়ে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকার পরিবেশ শান্ত রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।