রিফাইন্ড আ.লীগ তৈরিতে কাজ করছে ডা. শেখ বাহারুল
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
- / 113
খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. শেখ বাহারুল আলম বাহারের বিরুদ্ধে রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ তৈরির কার্যক্রম চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৮ অক্টোবর) সকালে খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন এপিসি ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও ডা. বাহারুলের মেয়ে শেখ তামান্না আলম। এ সময় তার আরেক মেয়ে ডা. তাসনুভা আলমও উপস্থিত ছিলেন।
অভিযুক্ত ডা. শেখ বাহারুল এপিসি ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান। তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) খুলনার বর্তমান সভাপতি। সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, ডা. বাহারুল নিজের বাসা ও বিএমএ ভবন ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কাজ করছেন।
শেখ তামান্না আলম বলেন, “আমার বাবার নিয়মিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মিটিং ও খুলনায় রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ তৈরির কার্যক্রম চালানোর খবর পাওয়া যাচ্ছে।” তিনি লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, “আমার মা ডা. শামসুন্নাহার ১৯৮৯ সালে মৃত্যুবরণ করলে তখন আমি মাত্র ১৪ বছর বয়সী ছিলাম। বাবার অনেক অন্যায়ের সাক্ষী থাকলেও ছোট বোনকে নিয়ে কোনো প্রতিবাদ করতে পারিনি।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, “একজন অন্য ধর্মের নারী এবং তার স্বামী অর্থের লোভে বাবাকে আমাদের থেকে অনেক দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। ওই নারী আগে আমাদের প্রতিষ্ঠানে ১,৩০০ টাকার কর্মচারী ছিল, এখন তিনি প্রতিষ্ঠানটির একজন পরিচালক।”
এর আগে, মা হত্যার অভিযোগে ডা. শেখ বাহারুলের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন তামান্না আলম। ৯ সেপ্টেম্বর খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সোনাডাঙ্গা আমলি আদালতে মামলা দায়ের হয়। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৮৯ সালের ১৩ নভেম্বর রাতের দিকে তৎকালীন গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. সামসুন্নাহার মিলনের গলায় রশি বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। অভিযোগে বলা হয়েছে, ডা. শেখ বাহারুল তার স্ত্রীকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়েছিলেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ডা. বাহারুল একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্কের কারণে দাম্পত্য জীবনে কলহ সৃষ্টি হয়েছিল এবং এতে তার স্ত্রী শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতিত হচ্ছিলেন।
































