ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপির চাঁদাবাজি নিয়ে সরকারকে দায়ী করলেন রুমিন ফারহানা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / 138

রুমিন ফারহানা

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজির সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের নাম জড়ানো হলেও আন্দোলন ও শৃঙ্খলা প্রশ্নে যে বহিষ্কার বা পদস্থাপন হয়েছে, সবকিছুকে চাঁদাবাজি হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। তিনি মনে করেন, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে যে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, তার দায়ও সরকারের উপর বর্তায় এবং এটি ন্যারেটিভ গঠন করার একটি কৌশল।

একটি টকশোতে অংশ নিয়ে রুমিন বলেন, দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নির্দেশ না মানা ইত্যাদি কারণে প্রায় সাড়ে সাত হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে — সবকিছুকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধ হিসেবে দেখা যায় না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ফৌজদারী অপরাধের ক্ষেত্রে আইনানুগ কার্যক্রম কার্যকর করা উচিত; যদি কেউ অপরাধ করে, তার বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগে দ্বিধা দেখানো উচিত নয়।”

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, যে কোন অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব সরকারের। তিনি যুক্তি দেন, যদি বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে দলের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের অপরাধকে আশ্রয় দেওয়া হতো বা প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাধা দেয়া হতো, তখনই বলা যেত দলটি অপরাধকে প্রশ্রয় দিচ্ছে — কিন্তু বর্তমানে এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

তিনি অভিযোগ করেন, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও প্রভাবশালী ব্যবস্থা নিচ্ছে না, যাতে বিএনপির বিরুদ্ধে নেতিবাচক ধারনা তৈরি হয়। “রাজনীতিতে পারসেপশনের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। সরকার চায় বিএনপিকে চাঁদাবাজি করার সংজ্ঞায় সব জায়গায় প্রাধান্য দেবেন—আর সেই জন্যই তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে না,”– বলেন রুমিন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বট আইডি ব্যবহার করে বিএনপির বিরুদ্ধে চরিত্রহনন চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগও তোলেন তিনি। রুমিন বলেন, “শত শত বট আইডি থেকে প্রচারণা চালানো হচ্ছে; এমন কার্যক্রম বিএনপি করে না। যদি কোথাও এ ধরনের ব্যর্থতা থেকে থাকে, আমরা দায় স্বীকার করব।”

রুমিন জানান, বিএনপি ক্ষমতায় এলে নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পেলে দল নিজেই শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা নেবে। তিনি উল্লেখ করেন, দলের স্থায়ী নীতিই হবে জিরো টলারেন্স — দোষী প্রমাণিত হলে দলীয় পদক্ষেপের সঙ্গে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিএনপির চাঁদাবাজি নিয়ে সরকারকে দায়ী করলেন রুমিন ফারহানা

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজির সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের নাম জড়ানো হলেও আন্দোলন ও শৃঙ্খলা প্রশ্নে যে বহিষ্কার বা পদস্থাপন হয়েছে, সবকিছুকে চাঁদাবাজি হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। তিনি মনে করেন, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে যে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, তার দায়ও সরকারের উপর বর্তায় এবং এটি ন্যারেটিভ গঠন করার একটি কৌশল।

একটি টকশোতে অংশ নিয়ে রুমিন বলেন, দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নির্দেশ না মানা ইত্যাদি কারণে প্রায় সাড়ে সাত হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে — সবকিছুকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধ হিসেবে দেখা যায় না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ফৌজদারী অপরাধের ক্ষেত্রে আইনানুগ কার্যক্রম কার্যকর করা উচিত; যদি কেউ অপরাধ করে, তার বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগে দ্বিধা দেখানো উচিত নয়।”

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, যে কোন অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব সরকারের। তিনি যুক্তি দেন, যদি বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে দলের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের অপরাধকে আশ্রয় দেওয়া হতো বা প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাধা দেয়া হতো, তখনই বলা যেত দলটি অপরাধকে প্রশ্রয় দিচ্ছে — কিন্তু বর্তমানে এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

তিনি অভিযোগ করেন, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও প্রভাবশালী ব্যবস্থা নিচ্ছে না, যাতে বিএনপির বিরুদ্ধে নেতিবাচক ধারনা তৈরি হয়। “রাজনীতিতে পারসেপশনের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। সরকার চায় বিএনপিকে চাঁদাবাজি করার সংজ্ঞায় সব জায়গায় প্রাধান্য দেবেন—আর সেই জন্যই তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে না,”– বলেন রুমিন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বট আইডি ব্যবহার করে বিএনপির বিরুদ্ধে চরিত্রহনন চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগও তোলেন তিনি। রুমিন বলেন, “শত শত বট আইডি থেকে প্রচারণা চালানো হচ্ছে; এমন কার্যক্রম বিএনপি করে না। যদি কোথাও এ ধরনের ব্যর্থতা থেকে থাকে, আমরা দায় স্বীকার করব।”

রুমিন জানান, বিএনপি ক্ষমতায় এলে নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পেলে দল নিজেই শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা নেবে। তিনি উল্লেখ করেন, দলের স্থায়ী নীতিই হবে জিরো টলারেন্স — দোষী প্রমাণিত হলে দলীয় পদক্ষেপের সঙ্গে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।