ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দার্জিলিংয়ে ভারী বৃষ্টি-ভূমিধস, তিস্তা ব্যারেজে পানির চাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৭:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 87

দার্জিলিংয়ে ভারী বৃষ্টি-ভূমিধস, তিস্তা ব্যারেজে পানির চাপ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে ভারী বৃষ্টির ফলে ভূমিধসে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ধসে গেছে এবং সিকিম রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তায় পানির চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।

রোববার এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, শনিবার রাতে দার্জিলিংয়ে ভারী বৃষ্টি হয়। এতে মিরিক ও সুখিয়ে পোখারী এলাকায় ভূমিধস দেখা দেয়। আজ এসব এলাকায় উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন।

ভূমিধসের কারণে কয়েকটি প্রধান সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে দার্জিলিং-শিলিগুড়ি ও দার্জিলিং-সিকিম সংযুক্তকারী সড়ক উল্লেখযোগ্য। দুর্গাপূজার ছুটিতে কলকাতা থেকে দার্জিলিং ভ্রমণে যাওয়া অনেক পর্যটক আটকা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে গোরখাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন টাইগার হিল ও রক গার্ডেনের মতো পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং টয় ট্রেনের সূচিও বাতিল করা হয়েছে।

গোরখাল্যান্ড কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের ভ্রমণের আগে সড়ক ও আবহাওয়ার পরিস্থিতি যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দার্জিলিংয়ের সংসদ সদস্য রাজু বিস্তা এক পোস্টে জানিয়েছেন, ভারী বৃষ্টির কারণে প্রাণহানি, সম্পদ ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ভারী বৃষ্টির কারণে তিস্তা, মহানন্দা, তোর্সা ও জলঢাকা নদীতে বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহ করছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। মিরিকের দুধিয়া সেতুও ভেঙে গেছে।

পশ্চিমবঙ্গ ও ভূটানে ভারী বৃষ্টির কারণে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা বাংলাদেশকেও প্রভাবিত করতে পারে। তিস্তা ব্যারেজে অতিরিক্ত পানির চাপ কমাতে কর্তৃপক্ষ গজলডোবা থেকে ঘণ্টায় ২ লাখ কিউসেক পানি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দার্জিলিংয়ে ভারী বৃষ্টি-ভূমিধস, তিস্তা ব্যারেজে পানির চাপ

সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৭:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে ভারী বৃষ্টির ফলে ভূমিধসে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ধসে গেছে এবং সিকিম রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তায় পানির চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।

রোববার এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, শনিবার রাতে দার্জিলিংয়ে ভারী বৃষ্টি হয়। এতে মিরিক ও সুখিয়ে পোখারী এলাকায় ভূমিধস দেখা দেয়। আজ এসব এলাকায় উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন।

ভূমিধসের কারণে কয়েকটি প্রধান সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে দার্জিলিং-শিলিগুড়ি ও দার্জিলিং-সিকিম সংযুক্তকারী সড়ক উল্লেখযোগ্য। দুর্গাপূজার ছুটিতে কলকাতা থেকে দার্জিলিং ভ্রমণে যাওয়া অনেক পর্যটক আটকা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে গোরখাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন টাইগার হিল ও রক গার্ডেনের মতো পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং টয় ট্রেনের সূচিও বাতিল করা হয়েছে।

গোরখাল্যান্ড কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের ভ্রমণের আগে সড়ক ও আবহাওয়ার পরিস্থিতি যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দার্জিলিংয়ের সংসদ সদস্য রাজু বিস্তা এক পোস্টে জানিয়েছেন, ভারী বৃষ্টির কারণে প্রাণহানি, সম্পদ ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ভারী বৃষ্টির কারণে তিস্তা, মহানন্দা, তোর্সা ও জলঢাকা নদীতে বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহ করছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। মিরিকের দুধিয়া সেতুও ভেঙে গেছে।

পশ্চিমবঙ্গ ও ভূটানে ভারী বৃষ্টির কারণে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা বাংলাদেশকেও প্রভাবিত করতে পারে। তিস্তা ব্যারেজে অতিরিক্ত পানির চাপ কমাতে কর্তৃপক্ষ গজলডোবা থেকে ঘণ্টায় ২ লাখ কিউসেক পানি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে।