ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
  • / 74

সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ। ফাইল ছবি

আফগানিস্তানকে সিরিজ হারাতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ১৪৮ রান। তবে ৫ উইকেট হারিয়ে কাজটা কঠিন হয়ে উঠেছিল। শেষ পর্যন্ত নুরুল হাসান সোহানের ২১ বলে ৩১ রানে ভর করে ২ উইকেটে জিতেছে বাংলাদেশ। যদিও একাধিক বাউন্ডারিতে জয়সূচক রান এসেছে পেসার শরিফুল ইসলামের ব্যাট থেকে।

৫ বল বাকি রেখেই বাংলাদেশ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিতলো। একইসঙ্গে এক ম্যাচ হাতে রেখেই আফগানদের বিপক্ষে সিরিজ নিশ্চিত করেছে জাকের আলি অনিকের দল।

১২৯ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ হারের মুখে পড়ে। তবে আশা বাঁচিয়ে রাখা সোহান সেই বিপদ কাটিয়েছেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন শরিফুল। নিশ্চিত করেছেন টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয়। বিপরীতে আফগানদের হয়ে ৪ উইকেট শিকার করেছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই।

এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা আফগানদের শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চাপে রাখেন শরিফুল-নাসুমরা। শেষ পর্যন্ত রশিদ খানের দল ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান তোলে। তাদের পক্ষে ইব্রাহিম জাদরান সর্বোচ্চ ৩৮ এবং রহমানউল্লাহ গুরবাজ ৩০ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে ২টি করে উইকেট শিকার করেন নাসুম ও রিশাদ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

আফগানিস্তানকে সিরিজ হারাতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ১৪৮ রান। তবে ৫ উইকেট হারিয়ে কাজটা কঠিন হয়ে উঠেছিল। শেষ পর্যন্ত নুরুল হাসান সোহানের ২১ বলে ৩১ রানে ভর করে ২ উইকেটে জিতেছে বাংলাদেশ। যদিও একাধিক বাউন্ডারিতে জয়সূচক রান এসেছে পেসার শরিফুল ইসলামের ব্যাট থেকে।

৫ বল বাকি রেখেই বাংলাদেশ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিতলো। একইসঙ্গে এক ম্যাচ হাতে রেখেই আফগানদের বিপক্ষে সিরিজ নিশ্চিত করেছে জাকের আলি অনিকের দল।

১২৯ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ হারের মুখে পড়ে। তবে আশা বাঁচিয়ে রাখা সোহান সেই বিপদ কাটিয়েছেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন শরিফুল। নিশ্চিত করেছেন টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয়। বিপরীতে আফগানদের হয়ে ৪ উইকেট শিকার করেছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই।

এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা আফগানদের শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চাপে রাখেন শরিফুল-নাসুমরা। শেষ পর্যন্ত রশিদ খানের দল ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান তোলে। তাদের পক্ষে ইব্রাহিম জাদরান সর্বোচ্চ ৩৮ এবং রহমানউল্লাহ গুরবাজ ৩০ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে ২টি করে উইকেট শিকার করেন নাসুম ও রিশাদ।