ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবশেষে জামিন পেলেন সেই মা

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:১০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 120

অবশেষে জামিন পেলেন সেই মা

মানব পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার শাহজাদী ও তার মা নার্গিস বেগমকে আদালত জামিন প্রদান করেছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে জামিন আদেশের প্রাপ্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তারা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে মুক্তি পান। আদালত তাদের বেলবন্ডও মওকুফ করেছেন।

মুক্তির পর ১৩ দিনের নবজাতককে খুলনা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। শাহজাদীর আইনজীবী শেখ রফিকুজ্জামান জানান, জামিনের জন্য আদালতে আবেদন করা হলে বিচারক সঙ্গে সঙ্গে জামিন মঞ্জুর করেন। ভুক্তভোগীদের আর্থিক দুরবস্থা ও আইনের ‘ডকট্রিন অব নেসেসিটি’ বিবেচনায় বেলবন্ড মওকুফ করা হয়।

খুলনা কারাগারের জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান বলেন, দুপুর ১টা ২৬ মিনিটে জামিন কাগজ কারাগারে পৌঁছে এবং ২টা ৪৫ মিনিটে তিনজনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মুক্তির পর মামলা দায়ীর মির্জা সুজন শাহজাদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন। তিনি জানান, তিনি কোনো রকম আফসোস করেননি এবং মামলার বিষয়টি মীমাংসা করতে চাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, শাহজাদী এবং তার পরিবারের ওপর নানা চাপ ও সামাজিক সমস্যা সত্ত্বেও নবজাতক উদ্ধার ও মা-মেয়ের মুক্তি হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি ২০ অক্টোবর ধার্য করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অবশেষে জামিন পেলেন সেই মা

সর্বশেষ আপডেট ০৬:১০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মানব পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার শাহজাদী ও তার মা নার্গিস বেগমকে আদালত জামিন প্রদান করেছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে জামিন আদেশের প্রাপ্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তারা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে মুক্তি পান। আদালত তাদের বেলবন্ডও মওকুফ করেছেন।

মুক্তির পর ১৩ দিনের নবজাতককে খুলনা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। শাহজাদীর আইনজীবী শেখ রফিকুজ্জামান জানান, জামিনের জন্য আদালতে আবেদন করা হলে বিচারক সঙ্গে সঙ্গে জামিন মঞ্জুর করেন। ভুক্তভোগীদের আর্থিক দুরবস্থা ও আইনের ‘ডকট্রিন অব নেসেসিটি’ বিবেচনায় বেলবন্ড মওকুফ করা হয়।

খুলনা কারাগারের জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান বলেন, দুপুর ১টা ২৬ মিনিটে জামিন কাগজ কারাগারে পৌঁছে এবং ২টা ৪৫ মিনিটে তিনজনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মুক্তির পর মামলা দায়ীর মির্জা সুজন শাহজাদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন। তিনি জানান, তিনি কোনো রকম আফসোস করেননি এবং মামলার বিষয়টি মীমাংসা করতে চাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, শাহজাদী এবং তার পরিবারের ওপর নানা চাপ ও সামাজিক সমস্যা সত্ত্বেও নবজাতক উদ্ধার ও মা-মেয়ের মুক্তি হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি ২০ অক্টোবর ধার্য করা হয়েছে।