ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাকরিচ্যুত কর্মীদের বিক্ষোভ, কঠোর অবস্থানে বিমান

বিশেষ প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 138

বলাকার সামনে আন্দোলন করছে বিভিন্ন অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চাকরিচ্যুত কর্মীরা

পুনরায় চাকরিতে বহালের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরারা।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কুর্মিটোলা বলাকা ভবনের সামনে তারা চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে অবস্থান নেন।

কর্মচারীরা জানান, বিমান থেকে তাদের ছোটখাট নানা অপরাধে চাকরিচ্যুতির মতো বড় শাস্তি দেওয়া হয়েছে। আবার অনেকে এই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে তাদের পক্ষে রায় নিয়ে এসেছেন। কিন্তু বিমান কর্তৃপক্ষ নানা টালবাহানা করছে।

তবে তাদরে চাকরিতে না ফেরানোর বিষয়ে কঠোর অবস্থানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।

সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এ কর্মচারীদের অনেকেই যাত্রী হয়রানি, কার্গোর মালামাল চুরি, দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, মানব পাচার কিংবা স্বর্ণ চোরাচালানের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এসব গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে বিধি অনুসারে তাদের অস্থায়ী চাকরি থেকে অব্যাহতি (ডিসকন্টিনিউ) দেওয়া হয়েছিল।

বিমানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, বৈষম্যের শিকার কর্মচারীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

চাকরিচ্যুত কর্মীরা চাইলে আবেদন জমা দিয়ে কমিটির মাধ্যমে তাদের বিষয়টি পর্যালোচনা করাতে পারেন। ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে এবং অবশিষ্ট আবেদনও যথাসময়ে নিষ্পত্তি করা হবে।

কর্তৃপক্ষ পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, যাত্রী হয়রানি, চোরাচালান ও মানব পাচারের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে তারা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই অবস্থান থেকে সরে আসবে না।

বিমান কর্তৃপক্ষ চাকরিচ্যুত কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে— তারা যেন বলাকা ভবনসহ বিমানের যেকোনো স্থাপনার স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি না করেন। অন্যথায় কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চাকরিচ্যুত কর্মীদের বিক্ষোভ, কঠোর অবস্থানে বিমান

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পুনরায় চাকরিতে বহালের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরারা।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কুর্মিটোলা বলাকা ভবনের সামনে তারা চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে অবস্থান নেন।

কর্মচারীরা জানান, বিমান থেকে তাদের ছোটখাট নানা অপরাধে চাকরিচ্যুতির মতো বড় শাস্তি দেওয়া হয়েছে। আবার অনেকে এই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে তাদের পক্ষে রায় নিয়ে এসেছেন। কিন্তু বিমান কর্তৃপক্ষ নানা টালবাহানা করছে।

তবে তাদরে চাকরিতে না ফেরানোর বিষয়ে কঠোর অবস্থানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।

সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এ কর্মচারীদের অনেকেই যাত্রী হয়রানি, কার্গোর মালামাল চুরি, দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, মানব পাচার কিংবা স্বর্ণ চোরাচালানের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এসব গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে বিধি অনুসারে তাদের অস্থায়ী চাকরি থেকে অব্যাহতি (ডিসকন্টিনিউ) দেওয়া হয়েছিল।

বিমানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, বৈষম্যের শিকার কর্মচারীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

চাকরিচ্যুত কর্মীরা চাইলে আবেদন জমা দিয়ে কমিটির মাধ্যমে তাদের বিষয়টি পর্যালোচনা করাতে পারেন। ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে এবং অবশিষ্ট আবেদনও যথাসময়ে নিষ্পত্তি করা হবে।

কর্তৃপক্ষ পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, যাত্রী হয়রানি, চোরাচালান ও মানব পাচারের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে তারা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই অবস্থান থেকে সরে আসবে না।

বিমান কর্তৃপক্ষ চাকরিচ্যুত কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে— তারা যেন বলাকা ভবনসহ বিমানের যেকোনো স্থাপনার স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি না করেন। অন্যথায় কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।