পার্টনার রিট্রিট মালদ্বীপ-২০২৫ অনুষ্ঠিত
বিশেষ রেকর্ড গড়লো ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স
- সর্বশেষ আপডেট ০১:১১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 143
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স একটি বিশেষ রেকর্ড তৈরি করেছে। বিশ্বের কোনো নির্দিষ্ট এয়ারলাইন্স কোনো এক দেশের থেকে অন্য দেশে একসঙ্গে ৩০০-এর বেশি ট্রাভেল এজেন্ট নিয়ে সম্মেলন বা সামিট আয়োজনের নজির নেই। এই রেকর্ড স্থাপন করেছে ইউএস-বাংলা, যারা মালদ্বীপের ক্রসরোড আইল্যান্ডের সাই লেগুন ও হার্ড রকে তিনদিনব্যাপী ‘পার্টনার রিট্রিট মালদ্বীপ-২০২৫’ আয়োজন করেছে।
গত ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ট্রাভেল এজেন্টরা এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ বিমান দ্বারা মালদ্বীপের ভেলেনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে অতিথিদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
স্মরণযোগ্য হলো, অনুষ্ঠানটির দ্বিতীয় দিনে সাই লেগুন কনভেনশন হলে ৪০ জন ট্রাভেল এজেন্টকে পারফরম্যান্স অনুযায়ী পুরস্কৃত করা হয়েছে এবং কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-মামুন, ট্রাভেল বিষয়ক পত্রিকা দি বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম এবং ইউএস-বাংলার হেড অব সেলস এন্ড মার্কেটিং শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইউএস-বাংলার জনসংযোগ জেনারেল ম্যানেজার মোঃ কামরুল ইসলাম।
মোঃ আবদুল্লাহ আল-মামুন অনুষ্ঠানে অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, “২০১৪ সালের ১৭ জুলাই যাত্রা শুরু করার পর দেশের ট্রাভেল পার্টনাররা আমাদের পাশে ছিলেন। ভবিষ্যতেও তাঁরা পাশে থাকবেন এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সকে বিশ্ব এভিয়েশনে নেতৃত্ব দিতে সাহায্য করবেন।” তিনি আরও জানান, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ রুটসহ এশিয়ার ১০টি দেশের ১৪টি আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। বিমান বহরে ২৪টি এয়ারক্রাফট রয়েছে, যার মধ্যে দুটি ৪৩৬ আসনের এয়ারবাস ৩৩০-৩০০। শিগগিরই আরও একটি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০ যুক্ত হবে।

এছাড়া তিনি জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক রুটগুলিকে আরও শক্তিশালী করার জন্য বিমান বহরে ২০টি নতুন এয়ারক্রাফট যুক্ত করার পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত। পাইলট ও ইঞ্জিনিয়ার তৈরিতে প্রতি বছর ৩০ জন পাইলট এবং ৩০ জন ইঞ্জিনিয়ার প্রশিক্ষণের প্রক্রিয়া চলমান আছে।
শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম, ইউএস-বাংলার হেড অব সেলস এন্ড মার্কেটিং শফিকুল ইসলাম, ঢাকা রিজিয়নের আবুল খায়ের, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ আবু জাফর, সিলেটের জহিরুল কবির চৌধুরী, রাজশাহীর আকবর আলী, সৈয়দপুরের জহুরুল ইসলাম, যশোরের সাইদুল হক বাপ্পি এবং কক্সবাজারের সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
পুরষ্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে হাজী এয়ার ট্রাভেলস লিমিটেড, দ্বিতীয় স্থান শেয়ার ট্রিপ লিমিটেড এবং তৃতীয় স্থান গোযায়ান লিমিটেড। অংশগ্রহণকারী সকল ট্রাভেল পার্টনাররা ইউএস-বাংলার সঙ্গে ভবিষ্যতেও কাজ করে বাংলাদেশের এভিয়েশন ও ট্যুরিজম ইন্ডাস্ট্রিকে শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
শেষে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে সফল সামিটের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয় এবং এ ধরনের আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার দৃঢ় প্রত্যয় প্রকাশ করা হয়।





































