ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকার পক্ষপাত করলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৮:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 81

সরকার পক্ষপাত করলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, নির্বাচনকালীন সরকার যদি পক্ষপাতিত্ব করে, তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সুষ্ঠু নির্বাচন চায় না এমন পরিস্থিতিতেও প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে।

শুক্রবার ধানমন্ডিতে নির্বাচন কমিশন বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন আরএফইডি ও টিআইবির আয়োজিত ইলেকশন ট্রেনিং অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ অনেকেই প্রশাসনে রয়েছেন। এই দুর্বলতাকে মাথায় রেখে এগোতে হবে।” তিনি আরও বলেন, দেশের গভর্নেন্স ব্যবস্থা, জবাবদিহিতা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা অনেক বছরের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়েছে, কিন্তু প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণের মাধ্যমে দ্বিগুণ প্রভাবের মধ্যে আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, “অল্প সময়ের মধ্যে প্রশাসনকে নতুনভাবে সাজানো বা পুরো বিষয়টি রাতারাতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমাদের সময় দিতে হবে, যাতে প্রশাসনে স্থিতিশীলতা আসে এবং পেশাদারিত্ব তৈরি হয়।”

ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও জানান, প্রশাসনের মধ্যে তিন ধরনের শক্তি কাজ করছে—যারা পতিত সরকারের এজেন্ট বা সহযোগী, যারা দীর্ঘদিন বঞ্চিত হয়েছেন, এবং যারা পেশাদারিত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করছেন। এই টানাপড়েনের মধ্যেই প্রশাসন তার ভূমিকা পালন করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সরকার পক্ষপাত করলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়

সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৮:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, নির্বাচনকালীন সরকার যদি পক্ষপাতিত্ব করে, তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সুষ্ঠু নির্বাচন চায় না এমন পরিস্থিতিতেও প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে।

শুক্রবার ধানমন্ডিতে নির্বাচন কমিশন বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন আরএফইডি ও টিআইবির আয়োজিত ইলেকশন ট্রেনিং অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ অনেকেই প্রশাসনে রয়েছেন। এই দুর্বলতাকে মাথায় রেখে এগোতে হবে।” তিনি আরও বলেন, দেশের গভর্নেন্স ব্যবস্থা, জবাবদিহিতা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা অনেক বছরের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়েছে, কিন্তু প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণের মাধ্যমে দ্বিগুণ প্রভাবের মধ্যে আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, “অল্প সময়ের মধ্যে প্রশাসনকে নতুনভাবে সাজানো বা পুরো বিষয়টি রাতারাতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমাদের সময় দিতে হবে, যাতে প্রশাসনে স্থিতিশীলতা আসে এবং পেশাদারিত্ব তৈরি হয়।”

ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও জানান, প্রশাসনের মধ্যে তিন ধরনের শক্তি কাজ করছে—যারা পতিত সরকারের এজেন্ট বা সহযোগী, যারা দীর্ঘদিন বঞ্চিত হয়েছেন, এবং যারা পেশাদারিত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করছেন। এই টানাপড়েনের মধ্যেই প্রশাসন তার ভূমিকা পালন করবে।