ঢাকা ০৬:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম

বিএনপি ভেবেছে ক্ষমতায় চলে গেছে, কিন্তু দিল্লি বহুদূর

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 140

সমাবেশ বক্তব্য রাখছেন সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। ছবি: বাংলা অ্যাফেয়ার্স

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, “ভেবেছিলাম ফ্যাসিবাদ দূর হলে শান্তি পাবো, মুক্তি পাবো। কিন্তু কি পেলাম? চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, ধর্ষণকারী। চাঁদা না দেয়ায় বিএনপি সবকিছু দখল করেছে। এসব শুনলে তারা আমাদের বিরুদ্ধে কথা বলে। তাদের বিরুদ্ধেও গজব অপেক্ষায় আছে।”

 

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে খুলনা নিউমার্কেট এলাকায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর শাখা আয়োজিত গণসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি আরও বলেন, “বিএনপি ভেবেছে ক্ষমতায় চলে গেছে, কিন্তু দিল্লি এখনো বহুদূর। এই দেশের মানুষ কোনো চাঁদাবাজ, ধর্ষণকারী বা জুলুমবাজদের ভোট দেবে না। চাঁদাবাজরা ক্ষমতায় এলে ব্যবসায়ী, দোকানদার, গৃহস্থ কেউই স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবে না।”

 

সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা দেশের প্রয়োজনীয় রাষ্ট্র সংস্কার, ফ্যাসিবাদের বিচার, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি এবং পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ বিভিন্ন দাবিতে বক্তৃতা দেন। উপস্থিত ছিলেন দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের সহস্রাধিক নেতাকর্মী।

সমাবেশ শেষে একটি শোভাযাত্রা নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে, যা নাগরিকদের মধ্যে যথেষ্ট নজরকাড়া হয়েছিল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম

বিএনপি ভেবেছে ক্ষমতায় চলে গেছে, কিন্তু দিল্লি বহুদূর

সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, “ভেবেছিলাম ফ্যাসিবাদ দূর হলে শান্তি পাবো, মুক্তি পাবো। কিন্তু কি পেলাম? চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, ধর্ষণকারী। চাঁদা না দেয়ায় বিএনপি সবকিছু দখল করেছে। এসব শুনলে তারা আমাদের বিরুদ্ধে কথা বলে। তাদের বিরুদ্ধেও গজব অপেক্ষায় আছে।”

 

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে খুলনা নিউমার্কেট এলাকায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর শাখা আয়োজিত গণসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি আরও বলেন, “বিএনপি ভেবেছে ক্ষমতায় চলে গেছে, কিন্তু দিল্লি এখনো বহুদূর। এই দেশের মানুষ কোনো চাঁদাবাজ, ধর্ষণকারী বা জুলুমবাজদের ভোট দেবে না। চাঁদাবাজরা ক্ষমতায় এলে ব্যবসায়ী, দোকানদার, গৃহস্থ কেউই স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবে না।”

 

সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা দেশের প্রয়োজনীয় রাষ্ট্র সংস্কার, ফ্যাসিবাদের বিচার, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি এবং পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ বিভিন্ন দাবিতে বক্তৃতা দেন। উপস্থিত ছিলেন দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের সহস্রাধিক নেতাকর্মী।

সমাবেশ শেষে একটি শোভাযাত্রা নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে, যা নাগরিকদের মধ্যে যথেষ্ট নজরকাড়া হয়েছিল।