ডাকসু নিয়ে ছাত্রলীগ নেতার রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ
- সর্বশেষ আপডেট ০২:৩২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 93
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের প্রার্থিতা ও ব্যালট নম্বর পুর্ণবহালের নির্দেশনা চেয়ে স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী জুলিয়াস সিজার তালুকদারের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি ফয়েজ আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রিটটি খারিজ করেন। এর ফলে ব্যালট পেপারে আর তার নাম থাকছে না।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সরদার আবুল হোসেন চৌধুরী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শিশির মনির।
জানা গেছে, ডাকসু নির্বাচনে জুলিয়াস সিজার তালুকদার স্বতন্ত্রভাবে ভিপি প্রার্থী হয়েছিলেন। যাচাই-বাছাইয়ের পর গত ২৬ আগস্ট নির্বাচন কমিশন ডাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে। চূড়ান্ত তালিকায় ভিপি প্রার্থী হিসেবে তার নাম ছিল। তার ব্যালট নম্বর ছিল ২৬।
চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের হাউজ টিউটর ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশনে জুলিয়াস সিজার তালুকদারের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ দেন। পরে অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচনি আপিল ট্রাইব্যুনালে শুনানি হয়। কিন্তু নির্বাচনি আপিল ট্রাইব্যুনাল তার প্রার্থিতার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত না দিয়ে নির্বাচন কমিশনে সুপারিশ পাঠায়। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন জুলিয়াস সিজারের প্রার্থিতা ও ব্যালট নম্বর বাদ দেয়।
প্রসঙ্গত, জুলিয়াস সিজার তালুকদার সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
অভিযোগের বিষয়ে জুলিয়াস সিজার তালুকদারকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দেওয়ার কথা উল্লেখ করে গত ২৭ আগস্ট চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তাকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। এতে কাজ না হওয়ায় প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন জুলিয়াস সিজার তালুকদার।
আগামীকাল ০৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত ডাকসুরে ভোটগ্রহণ চলবে। গতকাল ৭ সেপ্টেম্বর ছিল প্রচারণার শেষ দিন।
ডাকসুতে এবার মোট ভোটার ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ভোটার ১৮ হাজার ৯৫৯, যা মোট ভোটারের ৪৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ। ছাত্রীদের পাঁচটি আবাসিক হলের মধ্যে শুধু রোকেয়া হলেই পাঁচ হাজার ৬৬৫ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে দুই হাজার ১১০টি, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে দুই হাজার ৬৪৫, শামসুন নাহার হলে চার হাজার ৯৬ এবং কবি সুফিয়া কামাল হলে ভোটার চার হাজার ৪৪৩টি।

































