ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

থমথমে চবি এলাকার পরিবেশ, চলছে ১৪৪ ধারা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চবি
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 80

থমথমে চবি এলাকার পরিবেশ, চলছে ১৪৪ ধারা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় এখনও থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। পুরুষশূন্য অবস্থায় আছে গোটা জোবরা গ্রাম। হামলাকারীদের শনাক্ত ও আটক করতে যৌথবাহিনী অভিযান চালাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় আজ রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে।

এর আগে শনিবার রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটে ভাড়া বাসায় প্রবেশের সময় দারোয়ানের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে মারধরের শিকার হন এক নারী শিক্ষার্থী। খবর পেয়ে অন্য শিক্ষার্থীরা ছুটে গেলে গ্রামবাসীর সঙ্গে মধ্যরাতে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এর জেরে রোববার সারাদিন ধরে স্থানীয় ও চবি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ চলে। চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া।

সংঘর্ষে প্রোভিসি, প্রক্টর, গণমাধ্যমকর্মীসহ অন্তত দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। ঘটনাটি তদন্তে রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী জোবরা গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দা জীবিকা নির্বাহ করেন বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সিএনজি অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা চালিয়ে। কারও কারও দোকানপাটও রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় আঙিনায়। এছাড়া এ গ্রামের বড় একটি অংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সঙ্গেও যুক্ত।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

থমথমে চবি এলাকার পরিবেশ, চলছে ১৪৪ ধারা

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় এখনও থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। পুরুষশূন্য অবস্থায় আছে গোটা জোবরা গ্রাম। হামলাকারীদের শনাক্ত ও আটক করতে যৌথবাহিনী অভিযান চালাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় আজ রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে।

এর আগে শনিবার রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটে ভাড়া বাসায় প্রবেশের সময় দারোয়ানের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে মারধরের শিকার হন এক নারী শিক্ষার্থী। খবর পেয়ে অন্য শিক্ষার্থীরা ছুটে গেলে গ্রামবাসীর সঙ্গে মধ্যরাতে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এর জেরে রোববার সারাদিন ধরে স্থানীয় ও চবি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ চলে। চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া।

সংঘর্ষে প্রোভিসি, প্রক্টর, গণমাধ্যমকর্মীসহ অন্তত দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। ঘটনাটি তদন্তে রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী জোবরা গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দা জীবিকা নির্বাহ করেন বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সিএনজি অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা চালিয়ে। কারও কারও দোকানপাটও রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় আঙিনায়। এছাড়া এ গ্রামের বড় একটি অংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সঙ্গেও যুক্ত।