জাতীয় পার্টি কি নিষিদ্ধ হচ্ছে?
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
- / 111
জাতীয় পার্টি (জাপা) ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত মানুষের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছে। এছাড়া তারা জুলাই বিপ্লবে আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করে নিজেদের পুরনো ইতিহাস উন্মোচন করেছে। এজন্য তাদের বিরুদ্ধে কীভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা জানিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
শনিবার (৩০ আগস্ট) ঝিনাইদহ শহরের টেলিভিশন সেন্টারপাড়ায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। দুপুরে সেখানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় পার্টি নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, “নুরের ওপর হামলা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। এটি একটি সুগভীর চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের অংশ।”
আসাদুজ্জামান আরও বলেন, “জাতীয় পার্টিকে (জাপা) নিষিদ্ধের যে দাবি উঠেছে, সেটির আইনগত দিক যাচাই-বাছাই করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের পর রাতে আল-রাজী টাওয়ারের সামনে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের মারধরে আহত হন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী।
শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “লাঠির আঘাতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নাক ও চোয়ালের হাড় ভেঙে গেছে। আহত অবস্থায় রাতে হাসপাতালে আনা হলে প্রথমে ক্যাজুয়ালটি বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে দেখেন। সেখান থেকে তাকে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে (ওসেক) রাখা হয়। পরে রাতে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।”
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান আরও জানান, “রাতেই পাঁচ বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয় এবং তাদের পরামর্শে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রাতে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। সকালেও মাথার সিটিস্ক্যান করানো হয়েছে। দেখা গেছে, তার মাথার হাড় ভেঙে গেছে। এছাড়া নাকের হাড় ও ডান চোয়ালের হাড়ও ভেঙে গেছে। মাথার ভেতরে রক্তক্ষরণ হয়েছে, তবে তা অতি সামান্য। তার চোখ-মুখ ফোলা রয়েছে। চোখেও রক্ত জমে আছে। তবে শরীরের অন্যান্য স্থানে কোথাও আঘাত দেখা যায়নি।”
এদিকে, এ ঘটনার পর জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে শনিবার (৩০ আগস্ট) ঢাকায় বিক্ষোভ করেছে গণঅধিকার পরিষদ। এছাড়া ঢাকার বাইরেও বেশ কয়েকটি জেলায় বিক্ষোভ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা।































