ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রায়পুরায় আশ্রয়কেন্দ্র এখন মাদকসেবীদের আখড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক, রায়পুরা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:০০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 141

রায়পুরায় আশ্রয়কেন্দ্র এখন মাদকসেবীদের আখড়া

নরসিংদীর রায়পুরায় মির্জারচরে ২০১৯ সালে নদীভাঙন ও বন্যাকবলিত চরাঞ্চলবাসীর জন্য আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণকাজ শুরু হয়। এটি মির্জারচর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের পাশে তিনতলা ভবন হিসেবে পরিকল্পিত ছিল, যেখানে স্কুলের ক্লাসরুম ও দুর্যোগকালে বন্যার্তদের নিরাপদ আশ্রয় দেয়া সম্ভব হতো। তবে ছয় বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও কাজ শেষ হয়নি।

প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণকাজে প্রয়োজনীয় কাজের বেশিরভাগ সম্পন্ন হয়েছে, তবে দরজা-জানালা, টাইলস ও কিছু অভ্যন্তরীণ কাজ এখনও বাকি। ফলে অরক্ষিত ভবনটি এখন পরিত্যক্ত মনে হয় এবং মাদকসেবী ও বখাটেদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সিঁড়ি, রুম ও কোঠায় পানি জমে শেওলা ও আগাছা জন্মেছে, দেয়াল থেকে টাইলস খসে পড়েছে, এবং অনেক রুমে দরজা না থাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সহজে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, দীর্ঘদিন ধরে দরজা-জানালা না থাকায় স্কুলের পাশের রাস্তায় সন্ধ্যার পর যাতায়াত ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। শিক্ষার্থীরা ভেতরে মাদকসেবন, অশ্লীল লেখা ও নোংরা পরিবেশ দেখে বিব্রত হন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ভবন নির্মাণের সামগ্রী লুট হওয়ার এবং স্থানীয় শ্রমিক দ্বন্দ্বের কারণে কাজ দেরি হয়েছে। যদিও প্রধান অংশের কাজ শেষ, অবশিষ্ট কিছু কাজ শেষ করে দুই মাসের মধ্যে ভবন হস্তান্তর করা হবে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও স্থানীয় কোন্দলের কারণে কাজ দীর্ঘসময় পেছিয়েছে, তবে আশ্রয়কেন্দ্রটি শেষ হলে চরাঞ্চলের মানুষ ও স্কুলের জন্য নিরাপদ সুবিধা হিসেবে কাজ করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রায়পুরায় আশ্রয়কেন্দ্র এখন মাদকসেবীদের আখড়া

সর্বশেষ আপডেট ০৩:০০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

নরসিংদীর রায়পুরায় মির্জারচরে ২০১৯ সালে নদীভাঙন ও বন্যাকবলিত চরাঞ্চলবাসীর জন্য আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণকাজ শুরু হয়। এটি মির্জারচর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের পাশে তিনতলা ভবন হিসেবে পরিকল্পিত ছিল, যেখানে স্কুলের ক্লাসরুম ও দুর্যোগকালে বন্যার্তদের নিরাপদ আশ্রয় দেয়া সম্ভব হতো। তবে ছয় বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও কাজ শেষ হয়নি।

প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণকাজে প্রয়োজনীয় কাজের বেশিরভাগ সম্পন্ন হয়েছে, তবে দরজা-জানালা, টাইলস ও কিছু অভ্যন্তরীণ কাজ এখনও বাকি। ফলে অরক্ষিত ভবনটি এখন পরিত্যক্ত মনে হয় এবং মাদকসেবী ও বখাটেদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সিঁড়ি, রুম ও কোঠায় পানি জমে শেওলা ও আগাছা জন্মেছে, দেয়াল থেকে টাইলস খসে পড়েছে, এবং অনেক রুমে দরজা না থাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সহজে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, দীর্ঘদিন ধরে দরজা-জানালা না থাকায় স্কুলের পাশের রাস্তায় সন্ধ্যার পর যাতায়াত ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। শিক্ষার্থীরা ভেতরে মাদকসেবন, অশ্লীল লেখা ও নোংরা পরিবেশ দেখে বিব্রত হন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ভবন নির্মাণের সামগ্রী লুট হওয়ার এবং স্থানীয় শ্রমিক দ্বন্দ্বের কারণে কাজ দেরি হয়েছে। যদিও প্রধান অংশের কাজ শেষ, অবশিষ্ট কিছু কাজ শেষ করে দুই মাসের মধ্যে ভবন হস্তান্তর করা হবে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও স্থানীয় কোন্দলের কারণে কাজ দীর্ঘসময় পেছিয়েছে, তবে আশ্রয়কেন্দ্রটি শেষ হলে চরাঞ্চলের মানুষ ও স্কুলের জন্য নিরাপদ সুবিধা হিসেবে কাজ করবে।