হিজাববিদ্বেষী শিক্ষিকার শাস্তি চায় খেলাফত মজলিস
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৪:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
- / 98
ভিকারুননিসা নূন স্কুলের বসুন্ধরা শাখায় ষষ্ঠ শ্রেণির প্রায় ২২ ছাত্রীকে হিজাব পরার কারণে ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। এটিকে ‘ইসলামবিদ্বেষী ও ন্যক্কারজনক’ আখ্যা দিয়ে ওই শিক্ষিকাকে বহিষ্কার করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির আমির মাওলানা মামুনুল হক।
সোমবার (২৫ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, রোববার (২৪ আগস্ট) অভিযুক্ত ইংরেজি শিক্ষিকা ফজিলাতুন নাহার হিজাব পরা ছাত্রীদের উদ্দেশে ‘জঙ্গির মতো লাগে’ বলে কটূক্তি করে ক্লাস থেকে বের করে দেন। ঘটনাটি প্রকাশ পেলে অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, চব্বিশের বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে এ ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও প্রকাশ্য ইসলামবিদ্বেষ কোনোভাবেই সহনযোগ্য নয়। হিজাব মুসলিম নারীর ঈমানি পরিচয় ও আল্লাহ প্রদত্ত ফরজ বিধান। একজন শিক্ষক হয়ে এই বিধানের বিরুদ্ধে কটূক্তি করা সরাসরি ইসলামের প্রতি শত্রুতা প্রদর্শনের শামিল। সরকারের উচিত অবিলম্বে উক্ত শিক্ষিকাকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন, শুধু এই একটি ঘটনা নয়, সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য ও তৎপরতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। গবেষক ড. সরোয়ার হোসেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক আসিফ মাহতাব উৎসকে সমকামী জঙ্গিরা হত্যার হুমকি দিয়েছে এবং প্রকাশ্যে তাদের পক্ষ নিয়ে কিছু লোক অবস্থানও নিয়েছে। এগুলো একই চক্রের অংশ, যারা পরিকল্পিতভাবে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উসকে দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে। এরা মনে করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী চক্র এবং তসলিমা নাসরিনের দোসররা আবারও দেশে ফিরে আসতে পারবে।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারকে অবশ্যই ইসলামবিদ্বেষী এই চক্রকে কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। নতুবা এরা দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ধ্বংস করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাবে।
































