ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দীঘিনালায় এক স্কুলের পাঠদান দুই বছর ধরে বন্ধ!

প্রমোদ কুমার মুৎসুদ্দী, দিঘীনালা (খাগড়াছড়ি)
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
  • / 209

দীঘিনালায় দুই বছর ধরে পাঠদান বন্ধ, নিয়মিত বেতন তুলছেন শিক্ষকরা

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার প্রত্যন্ত বাবুছড়া ইউনিয়নের নুনছড়া ‘বদন কার্বারী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের’ শিক্ষা কার্যক্রম দীর্ঘ দুই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে ৫০ জনের মতো শিক্ষার্থী রয়েছেন। আশেপাশে অন্যকোন স্কুল না থাকায়; ত্রিপুরা অধ্যুষিত এসব শিক্ষার্থীরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়টিতে মাত্র দু’জন শিক্ষক রয়েছেন। এরমধ্যে একজন উমা চিং মারমা, যিনি সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংশৈপ্রু চৌধুরী অপুর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাতৃত্বকালিন ছুটিতে রয়েছেন। অন্য শিক্ষক রাজিব ত্রিপুরা, উনি ৪১ বছর বয়স হওয়ায় আইনী জটিলতার কারনে নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না। যে কারনে তিনিও বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন না।

 

এলাকাটি উপজেলা সদরে হলেও বেশ দুর্গম। যেখানে যাতায়াতের কোন রাস্তা নেই। পানি পথ পাড়ি দিয়ে ওই পাড়ায় পৌছাতে হয়। যে কারনে বাহির থেকে কোন শিক্ষক সেখানে দেয়া যায় না।

 

তবে বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও দু’জন শিক্ষকই বিদ্যালয় থেকে বেতন তুলছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

বাংলাদেশ ত্রিপুরা ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির স্বাক্ষর ছাড়াই গত দুই বছর ধরে তারা বেতন তুলে নিচ্ছেন। এতে দীঘিনালা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

 

ত্রিপুরা ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দায়ি শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

 

দীঘিনালা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফ উদ্দিন বিপ্লব বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে জানান, তিনি অল্প কিছুদিন হলো দায়িত্বে এসেছেন, তাই উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খোঁজ এখনো নিতে পারেননি। তবে অভিযোগটি তিনি যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দীঘিনালায় এক স্কুলের পাঠদান দুই বছর ধরে বন্ধ!

সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার প্রত্যন্ত বাবুছড়া ইউনিয়নের নুনছড়া ‘বদন কার্বারী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের’ শিক্ষা কার্যক্রম দীর্ঘ দুই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে ৫০ জনের মতো শিক্ষার্থী রয়েছেন। আশেপাশে অন্যকোন স্কুল না থাকায়; ত্রিপুরা অধ্যুষিত এসব শিক্ষার্থীরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়টিতে মাত্র দু’জন শিক্ষক রয়েছেন। এরমধ্যে একজন উমা চিং মারমা, যিনি সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংশৈপ্রু চৌধুরী অপুর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাতৃত্বকালিন ছুটিতে রয়েছেন। অন্য শিক্ষক রাজিব ত্রিপুরা, উনি ৪১ বছর বয়স হওয়ায় আইনী জটিলতার কারনে নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না। যে কারনে তিনিও বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন না।

 

এলাকাটি উপজেলা সদরে হলেও বেশ দুর্গম। যেখানে যাতায়াতের কোন রাস্তা নেই। পানি পথ পাড়ি দিয়ে ওই পাড়ায় পৌছাতে হয়। যে কারনে বাহির থেকে কোন শিক্ষক সেখানে দেয়া যায় না।

 

তবে বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও দু’জন শিক্ষকই বিদ্যালয় থেকে বেতন তুলছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

বাংলাদেশ ত্রিপুরা ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির স্বাক্ষর ছাড়াই গত দুই বছর ধরে তারা বেতন তুলে নিচ্ছেন। এতে দীঘিনালা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

 

ত্রিপুরা ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দায়ি শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

 

দীঘিনালা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফ উদ্দিন বিপ্লব বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে জানান, তিনি অল্প কিছুদিন হলো দায়িত্বে এসেছেন, তাই উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খোঁজ এখনো নিতে পারেননি। তবে অভিযোগটি তিনি যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।