ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৮ বছর পর চাকরিচ্যুত ৮৫ উপজেলা কর্মকর্তা ফিরে পাচ্ছেন পদ

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 149

প্রায় ১৮ বছর আগে চাকরিচ্যুত করা ৮৫ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। রায়ে তাদের সকল সুযোগ-সুবিধা ফেরত দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

আপিল বিভাগের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্বে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল প্রক্রিয়ায় স্বাধীন ও সার্বভৌম ক্ষমতার ওপর অসাংবিধানিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ ওঠে।

২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল ও চারটি পৃথক রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ সোমবার (১৮ আগস্ট) এই পূর্ণাঙ্গ রায় ঘোষণা করে।

এর আগে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর জোট সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত ৮৫ জন কর্মকর্তা রাজনৈতিক কারণে চাকরিচ্যুত হন।

২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর এই কর্মকর্তাদের পুনর্বহালের জন্য ইসিকে দেওয়া ট্রাইব্যুনালের রায় আপিল বিভাগ বাতিল করেছিলেন। তবে ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে বরখাস্ত কর্মকর্তারা গত বছর সুপ্রিম কোর্টে একটি আপিল এবং চারটি রিভিউ পিটিশন দাখিল করেন।

শুনানিতে রিটের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সালাহউদ্দিন দোলন, প্রবীর নিয়োগী ও মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক ও আইনজীবী মুহাম্মদ খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া।

এর আগে, ২০১০ সালের ১২ এপ্রিল প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালও ৮৫ জন কর্মকর্তাকে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছিল। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১০ সালের ২৫ জুন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ট্রাইব্যুনালের রায় স্থগিত করে নিয়মিত লিভ টু আপিলের অনুমতি দিতে বলেন। পরবর্তীতে ২০১০ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ চেম্বার বিচারপতির আদেশ বহাল রেখে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১৮ বছর পর চাকরিচ্যুত ৮৫ উপজেলা কর্মকর্তা ফিরে পাচ্ছেন পদ

সর্বশেষ আপডেট ১২:১২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

প্রায় ১৮ বছর আগে চাকরিচ্যুত করা ৮৫ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। রায়ে তাদের সকল সুযোগ-সুবিধা ফেরত দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

আপিল বিভাগের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্বে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল প্রক্রিয়ায় স্বাধীন ও সার্বভৌম ক্ষমতার ওপর অসাংবিধানিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ ওঠে।

২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল ও চারটি পৃথক রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ সোমবার (১৮ আগস্ট) এই পূর্ণাঙ্গ রায় ঘোষণা করে।

এর আগে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর জোট সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত ৮৫ জন কর্মকর্তা রাজনৈতিক কারণে চাকরিচ্যুত হন।

২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর এই কর্মকর্তাদের পুনর্বহালের জন্য ইসিকে দেওয়া ট্রাইব্যুনালের রায় আপিল বিভাগ বাতিল করেছিলেন। তবে ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে বরখাস্ত কর্মকর্তারা গত বছর সুপ্রিম কোর্টে একটি আপিল এবং চারটি রিভিউ পিটিশন দাখিল করেন।

শুনানিতে রিটের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সালাহউদ্দিন দোলন, প্রবীর নিয়োগী ও মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক ও আইনজীবী মুহাম্মদ খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া।

এর আগে, ২০১০ সালের ১২ এপ্রিল প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালও ৮৫ জন কর্মকর্তাকে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছিল। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১০ সালের ২৫ জুন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ট্রাইব্যুনালের রায় স্থগিত করে নিয়মিত লিভ টু আপিলের অনুমতি দিতে বলেন। পরবর্তীতে ২০১০ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ চেম্বার বিচারপতির আদেশ বহাল রেখে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।