ঢাকা ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদা পাথর লুটের মামলায় পাঁচজন আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / 119

সাদা পাথর

সিলেটের ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর কোয়ারি থেকে বিপুল পরিমাণ পাথর লুটপাটের ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো অজ্ঞাতনামা দুই হাজার জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে।

শুক্রবার (১৫ আগস্ট) রাতে ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ারুল হাবীব বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

সরকারি গেজেটভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কোয়ারি শুধু পর্যটনকেন্দ্র নয়, দেশের অন্যতম প্রধান সাদাপাথরের উৎসও বটে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছরের ৫ আগস্ট থেকে সংঘবদ্ধ একটি চক্র অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার পাথর উত্তোলন ও লুটপাট চালিয়ে আসছে। যদিও অভিযুক্তদের সুনির্দিষ্ট পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

এজাহারে বলা হয়, এ ঘটনা ‘খনি ও খনিজ সম্পদ (নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন) আইন, ১৯৯২’ এবং ‘খনি ও খনিজ সম্পদ বিধিমালা, ২০১২’-এর পাশাপাশি দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৭৯ ও ৪৩১ ধারারও স্পষ্ট লঙ্ঘন। দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের চিহ্নিত করার জন্য পুলিশকে অনুরোধ জানানো হয়।

মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করে। তবে তাদের নাম ও বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল হোতাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পরিবেশকর্মীদের অভিযোগ, গত এক বছরে সিলেট থেকে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট পাথর অবৈধভাবে উত্তোলন হয়েছে, যার বাজারমূল্য ২০০ কোটি টাকারও বেশি। উদ্ধার হয়েছে মাত্র ১ লাখ ঘনফুট পাথর। এর ফলে পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সরকার বিপুল রাজস্ব হারিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সাদা পাথর লুটের মামলায় পাঁচজন আটক

সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

সিলেটের ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর কোয়ারি থেকে বিপুল পরিমাণ পাথর লুটপাটের ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো অজ্ঞাতনামা দুই হাজার জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে।

শুক্রবার (১৫ আগস্ট) রাতে ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ারুল হাবীব বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

সরকারি গেজেটভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কোয়ারি শুধু পর্যটনকেন্দ্র নয়, দেশের অন্যতম প্রধান সাদাপাথরের উৎসও বটে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছরের ৫ আগস্ট থেকে সংঘবদ্ধ একটি চক্র অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার পাথর উত্তোলন ও লুটপাট চালিয়ে আসছে। যদিও অভিযুক্তদের সুনির্দিষ্ট পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

এজাহারে বলা হয়, এ ঘটনা ‘খনি ও খনিজ সম্পদ (নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন) আইন, ১৯৯২’ এবং ‘খনি ও খনিজ সম্পদ বিধিমালা, ২০১২’-এর পাশাপাশি দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৭৯ ও ৪৩১ ধারারও স্পষ্ট লঙ্ঘন। দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের চিহ্নিত করার জন্য পুলিশকে অনুরোধ জানানো হয়।

মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করে। তবে তাদের নাম ও বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল হোতাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পরিবেশকর্মীদের অভিযোগ, গত এক বছরে সিলেট থেকে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট পাথর অবৈধভাবে উত্তোলন হয়েছে, যার বাজারমূল্য ২০০ কোটি টাকারও বেশি। উদ্ধার হয়েছে মাত্র ১ লাখ ঘনফুট পাথর। এর ফলে পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সরকার বিপুল রাজস্ব হারিয়েছে।