ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫
  • / 199

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ শুক্রবার (১৫ আগস্ট)। ১৯৪৫ সালের এই দিনে তিনি দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। খালেদা জিয়ার পৈতৃক নিবাস ফেনীর ফুলগাজী হলেও শৈশব-কৈশোর কেটেছে দিনাজপুরে বাবার কর্মস্থলে। ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদার দম্পতির তৃতীয় সন্তান তিনি।

জন্মদিন উপলক্ষে বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও থাকছে না কোনো আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন। এদিন বেগম জিয়ার শারীরিক সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা এবং ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, ’৯০-এর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ও ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের আশু সুস্থতা কামনায় ঢাকাসহ দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয় ও মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করবে বিএনপি।

কেন্দ্রীয়ভাবে শুক্রবার বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিএনপির সিনিয়র নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

২০১৮ সালের পর নতুন প্রেক্ষাপটে এবার দ্বিতীয়বারের মতো খালেদা জিয়ার জন্মদিন এলো। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরদিন ৬ আগস্ট স্থায়ী মুক্তি পান বেগম জিয়া। ফলে মুক্ত পরিবেশে এবারের জন্মদিনও কাটাবেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তবে কেক কাটার মতো কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকছে না।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বিএনপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জন্মদিন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ছাড়া কেক কাটা বা অন্য কোনো আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন না করার আহ্বান জানানো হয়।

বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা একসময় ১৫ আগস্ট কেক কেটে তাদের নেত্রীর জন্মদিন পালন করতেন। তবে ২০১৬ সাল থেকে দলীয়ভাবে শুধুমাত্র মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে এই দিনটি পালন করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, কিডনি জটিলতা, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসসহ নানা অসুস্থতায় ভুগছেন। কয়েক বছর ধরে তিনি গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে আছেন। সাধারণত তিনি নেতাকর্মীদের সাক্ষাৎ দেন না, তবে দুই ঈদে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এর মধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি চার মাস লন্ডনে ছিলেন এবং গত ৬ মে দেশে ফেরেন। এক যুগের বেশি সময় পর গত ১০ মে দুই পুত্রবধূকে নিয়ে গুলশানে ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের বাসায় যান তিনি। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায় সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনায়।

হিথ্রো বিমানবন্দরে খালেদা জিয়া
হিথ্রো বিমানবন্দরে খালেদা জিয়া

বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। ১৯৮১ সালের ৩০ মে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে বিপথগামী সৈন্যদের হাতে নিহত হন। এরপর দলের নেতাকর্মীদের দাবির মুখে ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি খালেদা জিয়া বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হন। পরে ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালে চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন তিনি। স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনের পর ১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হন।

তিনি ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এবং ২০০১ থেকে ২০০৬; এই তিন মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। দুবার সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং ১৯৯৩ সালে সার্কের প্রথম মহিলা চেয়ারপারসন হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে নেতৃত্ব দিয়ে চারদলীয় জোটকে জয়ী করেন এবং তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করেন। ওয়ান-ইলেভেনের পর ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মঈন-ফখরুদ্দীন সরকার তাকে কারাবন্দি করে। প্রায় এক বছর কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পান। কারাগারে জন্মদিনও কাটিয়েছেন তিনি। তার দৃঢ় মনোভাবের কারণে ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ থেকে সরে আসে তৎকালীন সরকার।

পাঁচটি সংসদ নির্বাচনে ২৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রতিবারই জয়ী হন খালেদা জিয়া। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত চারটি নির্বাচনে প্রতিবারই পাঁচটি আসনে জিতে রেকর্ড গড়েন। ২০০৮ সালেও তিনটি আসনে প্রার্থী হয়ে তিনটিতেই জয়ী হন। দলের অভ্যন্তরে আলোচনা আছে, আগামী জাতীয় নির্বাচনে তিনি সর্বোচ্চ তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে বিএনপি নানা দমন-পীড়ন ও মামলার চাপে থাকে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন বর্জন করে দলটি। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাগারে যেতে হয়। করোনাভাইরাস মহামারির শুরুর দিকে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ পরিবারের আবেদনে সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে তাকে বাসায় থাকার অনুমতি দেওয়া হয়।

তবে শর্তসাপেক্ষ মুক্তির কারণে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি পাননি তিনি। বারবার হাসপাতালে যেতে হয়েছে, কিন্তু উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি তৎকালীন সরকার দেয়নি।

খালেদা জিয়া ১৯৬০ সালে তৎকালীন সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের দুই সন্তান; তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো। কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় মারা যান। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি সেনারা বিদ্রোহ করলে ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন তিনি। এরপর সারাদেশে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ

সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ শুক্রবার (১৫ আগস্ট)। ১৯৪৫ সালের এই দিনে তিনি দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। খালেদা জিয়ার পৈতৃক নিবাস ফেনীর ফুলগাজী হলেও শৈশব-কৈশোর কেটেছে দিনাজপুরে বাবার কর্মস্থলে। ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদার দম্পতির তৃতীয় সন্তান তিনি।

জন্মদিন উপলক্ষে বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও থাকছে না কোনো আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন। এদিন বেগম জিয়ার শারীরিক সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা এবং ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, ’৯০-এর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ও ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের আশু সুস্থতা কামনায় ঢাকাসহ দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয় ও মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করবে বিএনপি।

কেন্দ্রীয়ভাবে শুক্রবার বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিএনপির সিনিয়র নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

২০১৮ সালের পর নতুন প্রেক্ষাপটে এবার দ্বিতীয়বারের মতো খালেদা জিয়ার জন্মদিন এলো। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরদিন ৬ আগস্ট স্থায়ী মুক্তি পান বেগম জিয়া। ফলে মুক্ত পরিবেশে এবারের জন্মদিনও কাটাবেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তবে কেক কাটার মতো কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকছে না।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বিএনপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জন্মদিন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ছাড়া কেক কাটা বা অন্য কোনো আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন না করার আহ্বান জানানো হয়।

বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা একসময় ১৫ আগস্ট কেক কেটে তাদের নেত্রীর জন্মদিন পালন করতেন। তবে ২০১৬ সাল থেকে দলীয়ভাবে শুধুমাত্র মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে এই দিনটি পালন করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, কিডনি জটিলতা, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসসহ নানা অসুস্থতায় ভুগছেন। কয়েক বছর ধরে তিনি গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে আছেন। সাধারণত তিনি নেতাকর্মীদের সাক্ষাৎ দেন না, তবে দুই ঈদে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এর মধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি চার মাস লন্ডনে ছিলেন এবং গত ৬ মে দেশে ফেরেন। এক যুগের বেশি সময় পর গত ১০ মে দুই পুত্রবধূকে নিয়ে গুলশানে ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের বাসায় যান তিনি। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায় সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনায়।

হিথ্রো বিমানবন্দরে খালেদা জিয়া
হিথ্রো বিমানবন্দরে খালেদা জিয়া

বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। ১৯৮১ সালের ৩০ মে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে বিপথগামী সৈন্যদের হাতে নিহত হন। এরপর দলের নেতাকর্মীদের দাবির মুখে ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি খালেদা জিয়া বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হন। পরে ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালে চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন তিনি। স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনের পর ১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হন।

তিনি ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এবং ২০০১ থেকে ২০০৬; এই তিন মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। দুবার সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং ১৯৯৩ সালে সার্কের প্রথম মহিলা চেয়ারপারসন হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে নেতৃত্ব দিয়ে চারদলীয় জোটকে জয়ী করেন এবং তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করেন। ওয়ান-ইলেভেনের পর ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মঈন-ফখরুদ্দীন সরকার তাকে কারাবন্দি করে। প্রায় এক বছর কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পান। কারাগারে জন্মদিনও কাটিয়েছেন তিনি। তার দৃঢ় মনোভাবের কারণে ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ থেকে সরে আসে তৎকালীন সরকার।

পাঁচটি সংসদ নির্বাচনে ২৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রতিবারই জয়ী হন খালেদা জিয়া। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত চারটি নির্বাচনে প্রতিবারই পাঁচটি আসনে জিতে রেকর্ড গড়েন। ২০০৮ সালেও তিনটি আসনে প্রার্থী হয়ে তিনটিতেই জয়ী হন। দলের অভ্যন্তরে আলোচনা আছে, আগামী জাতীয় নির্বাচনে তিনি সর্বোচ্চ তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে বিএনপি নানা দমন-পীড়ন ও মামলার চাপে থাকে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন বর্জন করে দলটি। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাগারে যেতে হয়। করোনাভাইরাস মহামারির শুরুর দিকে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ পরিবারের আবেদনে সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে তাকে বাসায় থাকার অনুমতি দেওয়া হয়।

তবে শর্তসাপেক্ষ মুক্তির কারণে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি পাননি তিনি। বারবার হাসপাতালে যেতে হয়েছে, কিন্তু উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি তৎকালীন সরকার দেয়নি।

খালেদা জিয়া ১৯৬০ সালে তৎকালীন সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের দুই সন্তান; তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো। কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় মারা যান। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি সেনারা বিদ্রোহ করলে ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন তিনি। এরপর সারাদেশে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে।