ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
রিজার্ভ চুরি

৯১ বারের মতো পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৪১:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 40

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে ৯১ বারের মতো পেছাল এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তা দাখিল করতে পারেনি।

এ কারণে ঢাকার অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত নতুন করে আগামী ১৩ জানুয়ারি পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রোকনুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে হ্যাকাররা ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করে নেয়। ধারণা করা হয়, দেশের ভেতরে থাকা কোনো একটি চক্রের সহায়তায় ওই অর্থপাচার সংঘটিত হয়।

এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি মামলা করেন। এটি দায়ের করা হয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে।

একদিন পর, ১৬ মার্চ আদালত মামলাটির তদন্তভার সিআইডিকে দেওয়া হয়। তখন থেকে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রিজার্ভ চুরি

৯১ বারের মতো পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ

সর্বশেষ আপডেট ১১:৪১:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে ৯১ বারের মতো পেছাল এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তা দাখিল করতে পারেনি।

এ কারণে ঢাকার অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত নতুন করে আগামী ১৩ জানুয়ারি পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রোকনুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে হ্যাকাররা ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করে নেয়। ধারণা করা হয়, দেশের ভেতরে থাকা কোনো একটি চক্রের সহায়তায় ওই অর্থপাচার সংঘটিত হয়।

এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি মামলা করেন। এটি দায়ের করা হয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে।

একদিন পর, ১৬ মার্চ আদালত মামলাটির তদন্তভার সিআইডিকে দেওয়া হয়। তখন থেকে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।