ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘৭২ বছর বয়সে যদি সেফ এক্সিটের কথা ভাবতে হয় তা গভীর দুঃখের’

বাংলা অ্যাফেয়ার্স ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৫১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 65

অন্তর্বর্তী সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বেহালদশা দেখতে গিয়ে বুধবার বিপাকে পড়েন অন্তর্বর্তী সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। ঘণ্টা দুয়েক যানজটে আটকে থাকার পর মোটরসাইকেলেই যাত্রা করেন এই উপদেষ্টা। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। ‘উপদেষ্টার রোজনামচা, চালকের হেলমেট নাই ও সেফ এক্সিট’- শিরোনামে ফাওজুল কবিরের লেখাটি ফেসবুকে শেয়ারও করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ফেসবুক পোস্টটি বাংলা অ্যাফেয়ার্সের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

পোস্টে ফাওজুল কবির লেখেন, ‘গতকাল (বুধবার) আমি সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ট্রেনেযোগে ভৈরব যাই। আমার সঙ্গে ছিলেন যাতায়তখাত বিশেষজ্ঞ ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. মইনুদ্দিন, রেল ও সড়ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, জেলা ও উপজেলা পরিষদ ও পুলিশের কর্মকর্তাবৃন্দ। ট্রেনে ওঠার আগে কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শন করি ও ট্রেনে যাত্রীদের সাথে কুশল বিনিময় করি। ১০টা ১৫ মিনিটে ভৈরব পৌঁছাই ও সেখান থেকে গাড়িতে গিয়ে আশুগঞ্জ ট্রেন স্টেশন পরিদর্শন করি। সেখানে পৌঁছে বিএনপি, জামায়াতসহ স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলি। তাদের দাবি, স্টেশনটিকে পূর্বের ন্যায় বি-শ্রেণিভুক্ত করতে হবে। স্টেশনটির বেহাল অবস্থা। উঁচুতে অবস্থিত স্টেশনটিতে মহিলা ও বয়োবৃদ্ধদের ওঠার ব্যবস্থাটি কঠিন। সিগন্যালিং-সহ স্টেশনটির অন্যান্য ত্রুটি নিরসন ও দীর্ঘমেয়াদে কী করা যায় সে বিষয়ে রেলের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিই।’

অনেক খোঁজার পরও মহাসড়কে হেলমেটসহ যাত্রী পাওয়া যাচ্ছিল না উল্লেখ করে উপদেষ্টা পোস্টে লিখেছেন, ‘সেখান থেকে সরাইলের পথে রওনা হই। সাত/আট কিলোমিটার পথে এক ঘণ্টা অবস্থানের পরেও অগ্রগতি না হওযায় প্রথমে পায়ে হেঁটে ও পরে মোটরসাইকেলে রওনা দিই। মোটরসাইকেল খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, চালক কিংবা যাত্রী কারোই হেলমেট নাই। আট-দশটা মোটরবাইক খুঁজে একটিমাত্র হেলমেট পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি ও অপেক্ষার পরও চালকের জন্য হেলমেট না পেয়ে সবার পরামর্শে একমাত্র হেলমেটটি নিজে পরে রওয়া দিই। হেলমেটবিহীন বাইকচালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে পরামর্শ এবং বিআরটিএ ও জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি।’

হাইওয়ে পুলিশের অব্যবস্থাপনায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যানজট উল্লেখ করে ফাওজুল কবির লেখেন, ‘যানজটের মূল কারণ সরাইল চৌরাস্তার নির্মাণকাজ হলেও, পথে দেখতে পাই যে মূলত চালকদের শৃঙ্খলাবোধ ও হাইওয়ে ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থাপনার অভাবে যাত্রায় বিলম্ব ঘটছে। উল্লেখ্য, ভারতীয় ঋণে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের ঠিকাদার চলে যাওয়ায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তাদের ফিরিয়ে এনে এখন পুনরায় কাজ শুরু করা হয়েছে। দুই লেনের মূল রাস্তার ডানপাশে দুই লেন ও বামপাশে একটি সার্ভিস লেন আছে। যেগুলোর যথাযথ ব্যবহার করা হলে এত যানজট হওয়ার কথা নয়। মূল রাস্তার দুই পাশে ডিভাইডার স্থানে স্থানে ভেঙে ফেলেছে। পাশ থেকে গাড়ি উঠে দুই লেন কোথাও তিন চার লেনে পরিণত হয়েছে। ফলে সবাই আগে যেতে চাচ্ছে, কেউই আগাতে পারছে না। হাইওয়ে পুলিশ তৎপর থাকলে এটা হতো না। এ বিষয়ে পুলিশের আইজিপির সাথে কথা হয়েছে, আজ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সাথে কথা বলব।’

‘প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর সাথে পরামর্শক্রমে অবিলম্বে রাস্তা সংস্কার বিষয়ে ছয়টি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিপূর্বেই নির্মাণকাজ তদারকির জন্য অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীসহ ১২ জন কর্মকর্তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পদস্থ করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, দ্রুত এ রাস্তায় চলাচল প্রায় স্বাভাবিক হবে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের এক বক্তব্যের ইস্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুল লেখেন, ‘ফেরার পথে সমকালের সাংবাদিক উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিট বিষয়ে আমার মন্তব্য জানতে চেয়েছেন। এ বিষয়টি উত্থাপনকারী, প্রাক্তন উপদেষ্টা ও বর্তমান এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম আমার অত্যন্ত স্নেহভাজন ও জুলাই আন্দোলনের অগ্রসেনা হিসাবে শ্রদ্ধার পাত্র। তাই তাঁর বক্তব্যের ওপর আমার মন্তব্য করা শোভন নয়। তাছাড়া আমি রাজনৈতিক বিষয়ে কোনো মন্তব্য করি না।’

নিজের প্রতি আস্থা ও নিজের কাজের মূল্যায়ন করে এই উপদেষ্টা লিখেছেন, ‘উপদেষ্টা হিসেবে যোগদানের পর থেকে আমার রোজনামচা এমনই। গতকালও রাত ৮টায় বাসায় ফিরেছি। নিজে পদে থেকে অন্যায় সুবিধা গ্রহণ করিনি। আত্মীয় স্বজন, বন্ধুবান্ধব কাউকে ব্যবসা বা চাকরি দিই নাই। নিজের সীমিত সামর্থ্যের সবটুকু ব্যবহার করে জনগণের প্রতি দায়িত্ব পালন করেছি। শিক্ষকতার সূত্রে, ইতিপূর্বে যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুরের স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার নিশ্চিত সুযোগ গ্রহণ করিনি।’

সবশেষে ফাওজুল কবির আক্ষেপ করে তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ‘আজ ৭২-এর বেশি বছর বয়সে আমাকে যদি সেফ এক্সিটের কথা ভাবতে হয় তা হবে গভীর দুঃখের বিষয়!!!’

সম্প্রতি একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে নাহিদ ইসলাম একটি সাক্ষাৎকার দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘…অনেক উপদেষ্টা নিজেদের আখের গুছিয়েছে অথবা গণ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে বিট্রে (প্রতারণা) করেছে। যখন সময় আসবে, তখন আমরা এদের নামও উন্মুক্ত করব।’ সাক্ষাৎকারে নাহিদ ইসলাম আরও বলেছেন, ‘উপদেষ্টাদের অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে লিয়াজোঁ করে ফেলেছে। তারা নিজেদের সেফ এক্সিটের কথা ভাবতেছে।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘৭২ বছর বয়সে যদি সেফ এক্সিটের কথা ভাবতে হয় তা গভীর দুঃখের’

সর্বশেষ আপডেট ১১:৫১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বেহালদশা দেখতে গিয়ে বুধবার বিপাকে পড়েন অন্তর্বর্তী সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। ঘণ্টা দুয়েক যানজটে আটকে থাকার পর মোটরসাইকেলেই যাত্রা করেন এই উপদেষ্টা। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। ‘উপদেষ্টার রোজনামচা, চালকের হেলমেট নাই ও সেফ এক্সিট’- শিরোনামে ফাওজুল কবিরের লেখাটি ফেসবুকে শেয়ারও করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ফেসবুক পোস্টটি বাংলা অ্যাফেয়ার্সের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

পোস্টে ফাওজুল কবির লেখেন, ‘গতকাল (বুধবার) আমি সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ট্রেনেযোগে ভৈরব যাই। আমার সঙ্গে ছিলেন যাতায়তখাত বিশেষজ্ঞ ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. মইনুদ্দিন, রেল ও সড়ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, জেলা ও উপজেলা পরিষদ ও পুলিশের কর্মকর্তাবৃন্দ। ট্রেনে ওঠার আগে কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শন করি ও ট্রেনে যাত্রীদের সাথে কুশল বিনিময় করি। ১০টা ১৫ মিনিটে ভৈরব পৌঁছাই ও সেখান থেকে গাড়িতে গিয়ে আশুগঞ্জ ট্রেন স্টেশন পরিদর্শন করি। সেখানে পৌঁছে বিএনপি, জামায়াতসহ স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলি। তাদের দাবি, স্টেশনটিকে পূর্বের ন্যায় বি-শ্রেণিভুক্ত করতে হবে। স্টেশনটির বেহাল অবস্থা। উঁচুতে অবস্থিত স্টেশনটিতে মহিলা ও বয়োবৃদ্ধদের ওঠার ব্যবস্থাটি কঠিন। সিগন্যালিং-সহ স্টেশনটির অন্যান্য ত্রুটি নিরসন ও দীর্ঘমেয়াদে কী করা যায় সে বিষয়ে রেলের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিই।’

অনেক খোঁজার পরও মহাসড়কে হেলমেটসহ যাত্রী পাওয়া যাচ্ছিল না উল্লেখ করে উপদেষ্টা পোস্টে লিখেছেন, ‘সেখান থেকে সরাইলের পথে রওনা হই। সাত/আট কিলোমিটার পথে এক ঘণ্টা অবস্থানের পরেও অগ্রগতি না হওযায় প্রথমে পায়ে হেঁটে ও পরে মোটরসাইকেলে রওনা দিই। মোটরসাইকেল খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, চালক কিংবা যাত্রী কারোই হেলমেট নাই। আট-দশটা মোটরবাইক খুঁজে একটিমাত্র হেলমেট পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি ও অপেক্ষার পরও চালকের জন্য হেলমেট না পেয়ে সবার পরামর্শে একমাত্র হেলমেটটি নিজে পরে রওয়া দিই। হেলমেটবিহীন বাইকচালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে পরামর্শ এবং বিআরটিএ ও জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি।’

হাইওয়ে পুলিশের অব্যবস্থাপনায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যানজট উল্লেখ করে ফাওজুল কবির লেখেন, ‘যানজটের মূল কারণ সরাইল চৌরাস্তার নির্মাণকাজ হলেও, পথে দেখতে পাই যে মূলত চালকদের শৃঙ্খলাবোধ ও হাইওয়ে ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থাপনার অভাবে যাত্রায় বিলম্ব ঘটছে। উল্লেখ্য, ভারতীয় ঋণে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের ঠিকাদার চলে যাওয়ায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তাদের ফিরিয়ে এনে এখন পুনরায় কাজ শুরু করা হয়েছে। দুই লেনের মূল রাস্তার ডানপাশে দুই লেন ও বামপাশে একটি সার্ভিস লেন আছে। যেগুলোর যথাযথ ব্যবহার করা হলে এত যানজট হওয়ার কথা নয়। মূল রাস্তার দুই পাশে ডিভাইডার স্থানে স্থানে ভেঙে ফেলেছে। পাশ থেকে গাড়ি উঠে দুই লেন কোথাও তিন চার লেনে পরিণত হয়েছে। ফলে সবাই আগে যেতে চাচ্ছে, কেউই আগাতে পারছে না। হাইওয়ে পুলিশ তৎপর থাকলে এটা হতো না। এ বিষয়ে পুলিশের আইজিপির সাথে কথা হয়েছে, আজ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সাথে কথা বলব।’

‘প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর সাথে পরামর্শক্রমে অবিলম্বে রাস্তা সংস্কার বিষয়ে ছয়টি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিপূর্বেই নির্মাণকাজ তদারকির জন্য অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীসহ ১২ জন কর্মকর্তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পদস্থ করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, দ্রুত এ রাস্তায় চলাচল প্রায় স্বাভাবিক হবে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের এক বক্তব্যের ইস্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুল লেখেন, ‘ফেরার পথে সমকালের সাংবাদিক উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিট বিষয়ে আমার মন্তব্য জানতে চেয়েছেন। এ বিষয়টি উত্থাপনকারী, প্রাক্তন উপদেষ্টা ও বর্তমান এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম আমার অত্যন্ত স্নেহভাজন ও জুলাই আন্দোলনের অগ্রসেনা হিসাবে শ্রদ্ধার পাত্র। তাই তাঁর বক্তব্যের ওপর আমার মন্তব্য করা শোভন নয়। তাছাড়া আমি রাজনৈতিক বিষয়ে কোনো মন্তব্য করি না।’

নিজের প্রতি আস্থা ও নিজের কাজের মূল্যায়ন করে এই উপদেষ্টা লিখেছেন, ‘উপদেষ্টা হিসেবে যোগদানের পর থেকে আমার রোজনামচা এমনই। গতকালও রাত ৮টায় বাসায় ফিরেছি। নিজে পদে থেকে অন্যায় সুবিধা গ্রহণ করিনি। আত্মীয় স্বজন, বন্ধুবান্ধব কাউকে ব্যবসা বা চাকরি দিই নাই। নিজের সীমিত সামর্থ্যের সবটুকু ব্যবহার করে জনগণের প্রতি দায়িত্ব পালন করেছি। শিক্ষকতার সূত্রে, ইতিপূর্বে যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুরের স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার নিশ্চিত সুযোগ গ্রহণ করিনি।’

সবশেষে ফাওজুল কবির আক্ষেপ করে তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ‘আজ ৭২-এর বেশি বছর বয়সে আমাকে যদি সেফ এক্সিটের কথা ভাবতে হয় তা হবে গভীর দুঃখের বিষয়!!!’

সম্প্রতি একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে নাহিদ ইসলাম একটি সাক্ষাৎকার দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘…অনেক উপদেষ্টা নিজেদের আখের গুছিয়েছে অথবা গণ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে বিট্রে (প্রতারণা) করেছে। যখন সময় আসবে, তখন আমরা এদের নামও উন্মুক্ত করব।’ সাক্ষাৎকারে নাহিদ ইসলাম আরও বলেছেন, ‘উপদেষ্টাদের অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে লিয়াজোঁ করে ফেলেছে। তারা নিজেদের সেফ এক্সিটের কথা ভাবতেছে।’