ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৬.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপলো জাপান, সুনামি সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৬:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 96

৬.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপলো জাপান, সুনামি সতর্কতা

জাপানের উত্তর–পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। দেশটির আবহাওয়া দপ্তর জানায়, শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রেকর্ড হওয়া ভূমিকম্পটির মাত্রা ৬.৭। প্রাথমিকভাবে এটিকে ৬.৫ মাত্রার হিসেবে অনুমান করা হলেও পরে তা সংশোধন করা হয়।

আবহাওয়া সংস্থার সতর্কতায় জানানো হয়েছে, উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল বরাবর সর্বোচ্চ এক মিটার পর্যন্ত সুনামি ঢেউ দেখা দিতে পারে। উপকূলীয় অঞ্চলগুলোয় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এর কয়েক দিন আগেই একই এলাকায় ৭.৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৫০ জন আহত হন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভূমিকম্পপ্রবণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় জাপানে বড় ও ছোট ভূমিকম্প নিয়মিত ঘটে। এর মধ্যে ২০১১ সালের তোহোকু অঞ্চলের ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামি ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ডেকে আনে। সেই দুর্যোগে ২২ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং ফুকুশিমা দাইইচি পারমাণবিক কেন্দ্রে বিপর্যয় দেখা দেয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

৬.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপলো জাপান, সুনামি সতর্কতা

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৬:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

জাপানের উত্তর–পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। দেশটির আবহাওয়া দপ্তর জানায়, শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রেকর্ড হওয়া ভূমিকম্পটির মাত্রা ৬.৭। প্রাথমিকভাবে এটিকে ৬.৫ মাত্রার হিসেবে অনুমান করা হলেও পরে তা সংশোধন করা হয়।

আবহাওয়া সংস্থার সতর্কতায় জানানো হয়েছে, উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল বরাবর সর্বোচ্চ এক মিটার পর্যন্ত সুনামি ঢেউ দেখা দিতে পারে। উপকূলীয় অঞ্চলগুলোয় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এর কয়েক দিন আগেই একই এলাকায় ৭.৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৫০ জন আহত হন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভূমিকম্পপ্রবণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় জাপানে বড় ও ছোট ভূমিকম্প নিয়মিত ঘটে। এর মধ্যে ২০১১ সালের তোহোকু অঞ্চলের ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামি ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ডেকে আনে। সেই দুর্যোগে ২২ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং ফুকুশিমা দাইইচি পারমাণবিক কেন্দ্রে বিপর্যয় দেখা দেয়।