ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৪ মাসে প্রবাসী আয় ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৩৯:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / 119

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই–অক্টোবর) প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১০ দশমিক ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৫০ পয়সা হিসেবে) এর পরিমাণ এক লাখ ২৪ হাজার ৩২২ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ (২ নভেম্বর) প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্সের প্রবাহ বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ। আগের অর্থবছরের প্রথম চার মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ৮ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলার।

সর্বশেষ অক্টোবর মাসেই দেশে এসেছে ২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন (২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ) মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই মাসের তুলনায় ১৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার বেশি। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার।

__মাসভিত্তিক হিসেবে দেখা যায়:
__জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার
__আগস্টে ২ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার
__সেপ্টেম্বরে ২ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার
__অক্টোবরে ২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার

ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানো প্রবাসীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কঠোর নজরদারি, প্রণোদনা বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং সেবায় ডিজিটালাইজেশনের ফলে প্রবাসী আয়ের এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত আছে। বৈধ পথে প্রবাসী আয় বাড়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তি ফিরেছে। একই সঙ্গে ডলারের জোগান কিছুটা স্থিতিশীল অবস্থায় এসেছে, যা আমদানি ব্যয় মেটাতেও সহায়তা করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগের অর্থবছর (২০২৪-২৫) শেষে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। তার আগের অর্থবছরে (২০২৩-২৪) রেমিট্যান্স ছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

৪ মাসে প্রবাসী আয় ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৩৯:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই–অক্টোবর) প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১০ দশমিক ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৫০ পয়সা হিসেবে) এর পরিমাণ এক লাখ ২৪ হাজার ৩২২ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ (২ নভেম্বর) প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্সের প্রবাহ বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ। আগের অর্থবছরের প্রথম চার মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ৮ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলার।

সর্বশেষ অক্টোবর মাসেই দেশে এসেছে ২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন (২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ) মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই মাসের তুলনায় ১৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার বেশি। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার।

__মাসভিত্তিক হিসেবে দেখা যায়:
__জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার
__আগস্টে ২ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার
__সেপ্টেম্বরে ২ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার
__অক্টোবরে ২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার

ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানো প্রবাসীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কঠোর নজরদারি, প্রণোদনা বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং সেবায় ডিজিটালাইজেশনের ফলে প্রবাসী আয়ের এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত আছে। বৈধ পথে প্রবাসী আয় বাড়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তি ফিরেছে। একই সঙ্গে ডলারের জোগান কিছুটা স্থিতিশীল অবস্থায় এসেছে, যা আমদানি ব্যয় মেটাতেও সহায়তা করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগের অর্থবছর (২০২৪-২৫) শেষে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। তার আগের অর্থবছরে (২০২৩-২৪) রেমিট্যান্স ছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার।