ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
জিল্লুর রহমানের প্রশ্ন

৪০ শতাংশ মানুষকে বাদ দিয়ে কেমন গণতন্ত্র?

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 77

জিল্লুর রহমান

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও উপস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেছেন, জাতীয় পার্টিকে সরকার নিষিদ্ধ করেনি। জাতীয় পার্টির কার্যক্রমও স্থগিত করেনি। জাতীয় পার্টির নেতাদের কেউ কেউ নানা জায়গায় বক্তব্য দিচ্ছেন। টেলিভিশনে সেসব সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে এবং পত্রিকার পাতায়ও সেসব খবর ছাপা হচ্ছে।

কিন্তু জাতীয় পার্টিকে আপনি রাজনীতি করতে দেবেন না। এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে; জাতীয় পার্টি থাকবে না, আওয়ামী লীগ থাকবে না, ১৪ দলীয় জোট থাকবে না। সবার ভোট মেলালে কত হয়? অন্তত ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ। আপনি দেশের ৩০ থেকে ৪০ এমনকি ২০ শতাংশ মানুষকেও বাইরে রেখে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবেন কিভাবে? স্বাধীন মতপ্রকাশ সেটা কিভাবে সম্ভব হবে?
সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

জিল্লুর রহমান বলেন, ডাকসুর সাবেক ভিপি এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর যে আক্রমণ হয়েছে, এটা খুবই দুঃখজনক। আক্রমণ নিঃসন্দেহে কোনো অবস্থাতেই যৌক্তিক কিছু নয়। একই সঙ্গে এটাও যৌক্তিক নয়; মব তৈরি করা, কোনো রাজনৈতিক দলের অফিস ভেঙে ফেলা বা পুড়িয়ে ফেলা। আপনি পছন্দ করেন কিংবা না-করেন, গণতন্ত্রের কথা বলবেন; কিন্তু গণতন্ত্র মানে তো স্বাধীন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার আমলে আমরা লড়াই করেছি, সংগ্রাম করেছি; সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, ভোটাধিকারের জন্য। ভোটাধিকারের সঙ্গে মতপ্রকাশের একটি সম্পর্ক আছে। মানুষ যখন ভোট দেয়, তখন সে তার মত প্রকাশ করে। আপনি সেটা করতে দেবেন না; তাহলে বিচারটা করবে কে? তাহলে তো আদালত দিয়েই বা নির্বাহী বিভাগ দিয়েই দেশ চালানো যায়।

ভোটের কোনো দরকার নেই। ভোট যখন আসে, মানুষকে আপনি পছন্দ করার সুযোগ দেন, মানুষকে প্রত্যাখ্যান করার সুযোগ দেন।

জিল্লুর রহমান আরও বলেন, অপরাধ যারা করেছেন, নিঃসন্দেহে তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে এবং তদন্ত সাপেক্ষে সেই অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদালত তার বিচার করবে। সেই বিচারও আবার নির্বাহী বিভাগ করতে পারে না। নাগরিক হিসেবে আমি বা আপনি করতে পারি না। আমাদের কোনো আইনি বা সাংবিধানিক অধিকার নেই সেটা করার।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জিল্লুর রহমানের প্রশ্ন

৪০ শতাংশ মানুষকে বাদ দিয়ে কেমন গণতন্ত্র?

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও উপস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেছেন, জাতীয় পার্টিকে সরকার নিষিদ্ধ করেনি। জাতীয় পার্টির কার্যক্রমও স্থগিত করেনি। জাতীয় পার্টির নেতাদের কেউ কেউ নানা জায়গায় বক্তব্য দিচ্ছেন। টেলিভিশনে সেসব সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে এবং পত্রিকার পাতায়ও সেসব খবর ছাপা হচ্ছে।

কিন্তু জাতীয় পার্টিকে আপনি রাজনীতি করতে দেবেন না। এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে; জাতীয় পার্টি থাকবে না, আওয়ামী লীগ থাকবে না, ১৪ দলীয় জোট থাকবে না। সবার ভোট মেলালে কত হয়? অন্তত ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ। আপনি দেশের ৩০ থেকে ৪০ এমনকি ২০ শতাংশ মানুষকেও বাইরে রেখে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবেন কিভাবে? স্বাধীন মতপ্রকাশ সেটা কিভাবে সম্ভব হবে?
সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

জিল্লুর রহমান বলেন, ডাকসুর সাবেক ভিপি এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর যে আক্রমণ হয়েছে, এটা খুবই দুঃখজনক। আক্রমণ নিঃসন্দেহে কোনো অবস্থাতেই যৌক্তিক কিছু নয়। একই সঙ্গে এটাও যৌক্তিক নয়; মব তৈরি করা, কোনো রাজনৈতিক দলের অফিস ভেঙে ফেলা বা পুড়িয়ে ফেলা। আপনি পছন্দ করেন কিংবা না-করেন, গণতন্ত্রের কথা বলবেন; কিন্তু গণতন্ত্র মানে তো স্বাধীন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার আমলে আমরা লড়াই করেছি, সংগ্রাম করেছি; সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, ভোটাধিকারের জন্য। ভোটাধিকারের সঙ্গে মতপ্রকাশের একটি সম্পর্ক আছে। মানুষ যখন ভোট দেয়, তখন সে তার মত প্রকাশ করে। আপনি সেটা করতে দেবেন না; তাহলে বিচারটা করবে কে? তাহলে তো আদালত দিয়েই বা নির্বাহী বিভাগ দিয়েই দেশ চালানো যায়।

ভোটের কোনো দরকার নেই। ভোট যখন আসে, মানুষকে আপনি পছন্দ করার সুযোগ দেন, মানুষকে প্রত্যাখ্যান করার সুযোগ দেন।

জিল্লুর রহমান আরও বলেন, অপরাধ যারা করেছেন, নিঃসন্দেহে তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে এবং তদন্ত সাপেক্ষে সেই অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদালত তার বিচার করবে। সেই বিচারও আবার নির্বাহী বিভাগ করতে পারে না। নাগরিক হিসেবে আমি বা আপনি করতে পারি না। আমাদের কোনো আইনি বা সাংবিধানিক অধিকার নেই সেটা করার।