ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৩৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: এস আলম ও নাবিল গ্রুপের মালিকসহ ৪৩ আসামি

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 144

এস আলম গ্রুপের মালিক সাইফুল ও নাবিল গ্রুপের মালিক আমিনুল। ছবি: সংগৃহীত

‘নাবা এগ্রো ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের অনুকূলে ইসলামী ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে ঋণের ৩৬৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আলোচিত এস আলম গ্রুপের মালিক সাইফুল ও নাবিল গ্রুপের মালিক আমিনুল ও ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

মামলার আসামিরা হলেন- এস আলম গ্রুপের মালিক মো. সাইফুল আলম, নাবিল গ্রুপের মালিক ও এমডি মো. আমিনুল ইসলাম, সোনালী ট্রেডার্সের পরিচালক শহিদুল আলম, সেঞ্চুরি ফ্লাওয়ার মিলসের এমডি মো. আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, একই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মো. হাছানুজ্জামান, নাবা এগ্রো ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুন অর রশিদ ও একই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের কর্মকর্তারা হলেন- ব্যাংকটির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট (সাবেক ডিএমডি) মিফতাহ উদ্দিন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আইসি কমিটির সদস্য মুহাম্মদ কায়সার আলী, এফএভিপি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী, এভিপি ও ইনভেস্টমেন্ট ইনচার্জ (গুলশান শাখা) মো. আকির হোসেন মিজি, ইডিপি ও শাখা ব্যবস্থাপক এটিএম শহিদুল হক, আইসি কমিটির সদস্য সৈয়দ আবু আসাদ, ডিএমডি ও আইসি কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী, সিইও ও ইনভেস্টমেন্ট কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী, নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সালেহ জহর, ডিএমডি ও কোম্পানি সেক্রেটারি জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের গুলশান শাখা থেকে নাম সর্বস্ব নাবা এগ্রো ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামের প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ঋণের প্রস্তাবনা সুপারিশ ও অনুমোদন করেন আসমিরা। পরস্পর যোগসাজসে তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে রেকর্ডপত্র তৈরি করে অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন। যেখানে ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় নবগঠিত প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে ৬৭০ কোটি টাকা ঋণ সুবিধা মঞ্জুর হয়েছে। মঞ্জুরকৃত ৬৭০ কোটি টাকার মধ্যে ৩৬৩ কোটি টাকা বিতরণ দেখিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

৩৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: এস আলম ও নাবিল গ্রুপের মালিকসহ ৪৩ আসামি

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

‘নাবা এগ্রো ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের অনুকূলে ইসলামী ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে ঋণের ৩৬৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আলোচিত এস আলম গ্রুপের মালিক সাইফুল ও নাবিল গ্রুপের মালিক আমিনুল ও ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

মামলার আসামিরা হলেন- এস আলম গ্রুপের মালিক মো. সাইফুল আলম, নাবিল গ্রুপের মালিক ও এমডি মো. আমিনুল ইসলাম, সোনালী ট্রেডার্সের পরিচালক শহিদুল আলম, সেঞ্চুরি ফ্লাওয়ার মিলসের এমডি মো. আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, একই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মো. হাছানুজ্জামান, নাবা এগ্রো ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুন অর রশিদ ও একই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের কর্মকর্তারা হলেন- ব্যাংকটির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট (সাবেক ডিএমডি) মিফতাহ উদ্দিন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আইসি কমিটির সদস্য মুহাম্মদ কায়সার আলী, এফএভিপি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী, এভিপি ও ইনভেস্টমেন্ট ইনচার্জ (গুলশান শাখা) মো. আকির হোসেন মিজি, ইডিপি ও শাখা ব্যবস্থাপক এটিএম শহিদুল হক, আইসি কমিটির সদস্য সৈয়দ আবু আসাদ, ডিএমডি ও আইসি কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী, সিইও ও ইনভেস্টমেন্ট কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী, নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সালেহ জহর, ডিএমডি ও কোম্পানি সেক্রেটারি জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের গুলশান শাখা থেকে নাম সর্বস্ব নাবা এগ্রো ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামের প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ঋণের প্রস্তাবনা সুপারিশ ও অনুমোদন করেন আসমিরা। পরস্পর যোগসাজসে তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে রেকর্ডপত্র তৈরি করে অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন। যেখানে ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় নবগঠিত প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে ৬৭০ কোটি টাকা ঋণ সুবিধা মঞ্জুর হয়েছে। মঞ্জুরকৃত ৬৭০ কোটি টাকার মধ্যে ৩৬৩ কোটি টাকা বিতরণ দেখিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে।