ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৩৪ ভারতীয় জেলে আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, মোংলা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • / 352

নৌবাহিনীর হাতে ৩৪ ভারতীয় জেলে আটক

বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমানায় এসে মাছ শিকারের অপরাধে দুইটি ফিশিং ট্রলারসহ ৩৪ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করেছে মোংলা নৌবাহিনীর সদস্যরা।

সোমবার (১৪ জুলাই) রাতে মোংলা বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়া সংলগ্ন গভীর সাগর থেকে ট্রলার ও জেলেদের আটক করে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর দ্বিগরাজ নৌঘাটিতে আনা হয়েছে।

সেখানে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও নাম পরিচয় শনাক্ত শেষে রাতে আটককৃতদের মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হবে। মোংলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তিনি বলেন, সোমবার (১৪ জুলাই) গভীর রাতে সমুদ্রে নিয়মিত টহলদান শেষে ফেরার পথে সাগরের পশ্চিম দিকে মোংলা সমুদ্র বন্দরের ফেয়ার ওয়ে বয়ার ৭৭ নটিক্যাল মাইল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় বেশ কয়েকটি ফিশিং ট্রলার মাছ শিকার করতে দেখে নৌ-বাহিনী। এসময় নৌ-বাহিনীর সদস্যরা ট্রলারগুলো আটকের জন্য সামনের দিকে অগ্রসর হলে নৌবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ভারতীয় জেলেরা তাদের ব্যাবহৃত ট্রলার নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এসময় ধাওয়া করে “এফবি ঝড়” ও “এফবি মঙ্গল চন্ডি-৩৮” নামের ভারতীয় দুটি মাছ ধরার ট্রলার জব্দ করা হয়। পরে সেই ট্রলার থেকে ৩৪ ভারতীয় জেলেসহ মাছ ধরার অন্যান্য সরঞ্জামাদি আটক করে নৌবাহিনী। ট্রলার দুটিতে শিকার করা কয়েক’ শ কেজি সামুদ্রিক মাছ রয়েছে। আটক জেলেদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মৎস্য কর্মকর্তা আরো বলেন, প্রতি বছর ইলিশ মৌসুম এলেই ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় এসে তাদের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যাবহার করে মাছ শিকার করে নিয়ে যায়। তবে বাংলাদেশের প্রশাসনও ভারতীয় জেলেদের আগ্রাসন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে থেকে তাদের টহল জোরদার রেখেছে। বিভিন্ন সময় আটকও করছে ভারতীয় জেলে সহ তাদের জাল, ট্রলার সহ ব্যাবহৃত হরেক রকমের সরঞ্জাম। সোমবারও দুটি ট্রলার বোঝাই মাছ সহ জেলেদের আটক করা হয়েছে।

ট্রলারে থাকা ইলিশ সহ অন্যান্য মাছ নিলামে বিক্রি করা হবে বলেও জানান মৎস্য কর্মকর্তা।

বর্তমান সরকারের মেয়াদে এর আগে একাধিকবার বেশ কয়েকটি ট্রলারসহ ভারতীয় জেলেকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়।

দেশীয় জলসীমার আওতাভুক্ত এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, দস্যু দমন, সুন্দরবনের বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, চোরাচালান ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সার্বক্ষণিক টহল অব্যাহত রয়েছে। নিয়মিত এ অভিযান চলবে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান নৌ-বাহিনী।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

৩৪ ভারতীয় জেলে আটক

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমানায় এসে মাছ শিকারের অপরাধে দুইটি ফিশিং ট্রলারসহ ৩৪ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করেছে মোংলা নৌবাহিনীর সদস্যরা।

সোমবার (১৪ জুলাই) রাতে মোংলা বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়া সংলগ্ন গভীর সাগর থেকে ট্রলার ও জেলেদের আটক করে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর দ্বিগরাজ নৌঘাটিতে আনা হয়েছে।

সেখানে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও নাম পরিচয় শনাক্ত শেষে রাতে আটককৃতদের মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হবে। মোংলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তিনি বলেন, সোমবার (১৪ জুলাই) গভীর রাতে সমুদ্রে নিয়মিত টহলদান শেষে ফেরার পথে সাগরের পশ্চিম দিকে মোংলা সমুদ্র বন্দরের ফেয়ার ওয়ে বয়ার ৭৭ নটিক্যাল মাইল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় বেশ কয়েকটি ফিশিং ট্রলার মাছ শিকার করতে দেখে নৌ-বাহিনী। এসময় নৌ-বাহিনীর সদস্যরা ট্রলারগুলো আটকের জন্য সামনের দিকে অগ্রসর হলে নৌবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ভারতীয় জেলেরা তাদের ব্যাবহৃত ট্রলার নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এসময় ধাওয়া করে “এফবি ঝড়” ও “এফবি মঙ্গল চন্ডি-৩৮” নামের ভারতীয় দুটি মাছ ধরার ট্রলার জব্দ করা হয়। পরে সেই ট্রলার থেকে ৩৪ ভারতীয় জেলেসহ মাছ ধরার অন্যান্য সরঞ্জামাদি আটক করে নৌবাহিনী। ট্রলার দুটিতে শিকার করা কয়েক’ শ কেজি সামুদ্রিক মাছ রয়েছে। আটক জেলেদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মৎস্য কর্মকর্তা আরো বলেন, প্রতি বছর ইলিশ মৌসুম এলেই ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় এসে তাদের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যাবহার করে মাছ শিকার করে নিয়ে যায়। তবে বাংলাদেশের প্রশাসনও ভারতীয় জেলেদের আগ্রাসন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে থেকে তাদের টহল জোরদার রেখেছে। বিভিন্ন সময় আটকও করছে ভারতীয় জেলে সহ তাদের জাল, ট্রলার সহ ব্যাবহৃত হরেক রকমের সরঞ্জাম। সোমবারও দুটি ট্রলার বোঝাই মাছ সহ জেলেদের আটক করা হয়েছে।

ট্রলারে থাকা ইলিশ সহ অন্যান্য মাছ নিলামে বিক্রি করা হবে বলেও জানান মৎস্য কর্মকর্তা।

বর্তমান সরকারের মেয়াদে এর আগে একাধিকবার বেশ কয়েকটি ট্রলারসহ ভারতীয় জেলেকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়।

দেশীয় জলসীমার আওতাভুক্ত এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, দস্যু দমন, সুন্দরবনের বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, চোরাচালান ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সার্বক্ষণিক টহল অব্যাহত রয়েছে। নিয়মিত এ অভিযান চলবে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান নৌ-বাহিনী।