ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২ লাখ টাকার চুক্তিতে প্রবাসীর স্ত্রী খুন, সেপটিক ট্যাংক থেকে লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • / 154

২ লাখ টাকার চুক্তিতে প্রবাসীর স্ত্রী খুন, সেপটিক ট্যাংক থেকে লাশ উদ্ধার

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২ লাখ টাকার চুক্তিতে সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী ফেরদৌসী বেগমকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার মরদেহ বস্তায় ভরে ফেলে রাখা হয় একটি সেপটিক ট্যাংকে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুড়িচং থানার ওসি মোহাম্মদ আজিজুল হক জানান, হত্যার নেপথ্যে ছিলেন নিহতের ভাশুরের স্ত্রী নুরজাহান বেগম। দীর্ঘদিনের জমি বিরোধের জেরে তিনি ভাড়াটে খুনি আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে চুক্তি করেন। এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন রুবেল আহমেদ মিন্টু ও মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন জিল্লু নামের আরও দুই সহযোগী।

গত ২৭ জুন সকালে ফেরদৌসী বেগমকে একটি নির্জন বাগানে হত্যা করে পাশের বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়। ১ জুলাই সকালে স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে তা উদ্ধার করা হয়।

নিহতের ছেলে ইকরামুল হাসান এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ প্রথমে নুরজাহানকে আটক করে। তার জবানবন্দিতে উঠে আসে বাকি তিন আসামির নাম। পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাদেরও গ্রেপ্তার করে।

আসামিদের কাছ থেকে নিহতের গলার চেইন ও কানের দুল উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২ জুলাই) তারা আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে আদালতের নির্দেশে তিন ভাড়াটে খুনিকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

২ লাখ টাকার চুক্তিতে প্রবাসীর স্ত্রী খুন, সেপটিক ট্যাংক থেকে লাশ উদ্ধার

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২ লাখ টাকার চুক্তিতে সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী ফেরদৌসী বেগমকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার মরদেহ বস্তায় ভরে ফেলে রাখা হয় একটি সেপটিক ট্যাংকে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুড়িচং থানার ওসি মোহাম্মদ আজিজুল হক জানান, হত্যার নেপথ্যে ছিলেন নিহতের ভাশুরের স্ত্রী নুরজাহান বেগম। দীর্ঘদিনের জমি বিরোধের জেরে তিনি ভাড়াটে খুনি আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে চুক্তি করেন। এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন রুবেল আহমেদ মিন্টু ও মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন জিল্লু নামের আরও দুই সহযোগী।

গত ২৭ জুন সকালে ফেরদৌসী বেগমকে একটি নির্জন বাগানে হত্যা করে পাশের বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়। ১ জুলাই সকালে স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে তা উদ্ধার করা হয়।

নিহতের ছেলে ইকরামুল হাসান এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ প্রথমে নুরজাহানকে আটক করে। তার জবানবন্দিতে উঠে আসে বাকি তিন আসামির নাম। পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাদেরও গ্রেপ্তার করে।

আসামিদের কাছ থেকে নিহতের গলার চেইন ও কানের দুল উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২ জুলাই) তারা আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে আদালতের নির্দেশে তিন ভাড়াটে খুনিকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।