ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২৪ ঘণ্টায়ও নেভেনি রূপনগরের আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 114

২৪ ঘণ্টায়ও নেভেনি রূপনগরের আগুন

২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও পুরোপুরি নেভানো যায়নি রাজধানীর রূপনগরের শিয়ালবাড়ী এলাকায় রাসায়নিক গুদামে লাগা আগুন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সেখানে আগুন লাগে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায়ও গুদাম থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। অধ্যাপক ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বে বুয়েটের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

আগুন লাগা গুদামের বিপরীত পাশের পোশাক কারখানার আগুন মঙ্গলবারই নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। চারতলা ভবন থেকে ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুড়ে অঙ্গার হওয়ায় তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মরদেহগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। রাত থেকেই স্বজনরা সেখানে ভিড় করেছেন। বুধবার সকালে কিছু স্বজন মরদেহ দেখে নিজের পরিচয় দাবি করেছেন। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ছাড়া পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে জানাচ্ছেন।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম সমকালকে বলেন, “রাসায়নিক গুদামের আগুন এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। কত সময় লাগবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছেন।”

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল জলিল জানান, আগুনের সূত্রপাত রাসায়নিক গুদামে হয়। শিখা দ্রুত ওপরে উঠে যায় এবং আগুনের কুণ্ডলী সামনের চারতলা ভবনে পৌঁছে। ভবনের নিচতলায় অ্যাম্ব্রয়ডারি কারখানা, দোতলায় কাপড়ে স্ক্রিনপ্রিন্ট কারখানা, তৃতীয় তলায় গার্মেন্টস এবং চতুর্থ তলায় গার্মেন্টসের গুদাম ছিল। আগুন লাগার প্রথম সময় কেউ বুঝতে পারেনি, তাই ভেতরে থাকা কর্মীরা পুড়ে মারা যান।

এদিকে রাসায়নিক গুদামের মালিক শাহ আলম ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, তার এলাকায় আরও একাধিক গুদাম রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

২৪ ঘণ্টায়ও নেভেনি রূপনগরের আগুন

সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও পুরোপুরি নেভানো যায়নি রাজধানীর রূপনগরের শিয়ালবাড়ী এলাকায় রাসায়নিক গুদামে লাগা আগুন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সেখানে আগুন লাগে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায়ও গুদাম থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। অধ্যাপক ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বে বুয়েটের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

আগুন লাগা গুদামের বিপরীত পাশের পোশাক কারখানার আগুন মঙ্গলবারই নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। চারতলা ভবন থেকে ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুড়ে অঙ্গার হওয়ায় তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মরদেহগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। রাত থেকেই স্বজনরা সেখানে ভিড় করেছেন। বুধবার সকালে কিছু স্বজন মরদেহ দেখে নিজের পরিচয় দাবি করেছেন। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ছাড়া পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে জানাচ্ছেন।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম সমকালকে বলেন, “রাসায়নিক গুদামের আগুন এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। কত সময় লাগবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছেন।”

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল জলিল জানান, আগুনের সূত্রপাত রাসায়নিক গুদামে হয়। শিখা দ্রুত ওপরে উঠে যায় এবং আগুনের কুণ্ডলী সামনের চারতলা ভবনে পৌঁছে। ভবনের নিচতলায় অ্যাম্ব্রয়ডারি কারখানা, দোতলায় কাপড়ে স্ক্রিনপ্রিন্ট কারখানা, তৃতীয় তলায় গার্মেন্টস এবং চতুর্থ তলায় গার্মেন্টসের গুদাম ছিল। আগুন লাগার প্রথম সময় কেউ বুঝতে পারেনি, তাই ভেতরে থাকা কর্মীরা পুড়ে মারা যান।

এদিকে রাসায়নিক গুদামের মালিক শাহ আলম ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, তার এলাকায় আরও একাধিক গুদাম রয়েছে।