ঢাকা ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৮ দিনে রেকর্ড ব্রেকিং আয়ের স্বীকৃতি পেল ‘অ্যাভাটার’,

বিনোদন ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 66

১৮ দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছে হলিউড সিনেমা ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। মুক্তির পর থেকে ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১.০৮৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

বিনোদনবিষয়ক প্রভাবশালী গণমাধ্যম ভ্যারাইটি জানায়, এই আয়ের মধ্যে উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে এসেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৬ হাজার ৭২০ কোটি টাকা)। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ছবিটির আয় ৭৭৭.১ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকা।

ভ্যারাইটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার’ সিরিজের তৃতীয় কিস্তি হিসেবে ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ বিলিয়ন ডলার ক্লাবে প্রবেশ করতে আগের দুই ছবির তুলনায় সামান্য বেশি সময় নিয়েছে। ২০০৯ সালের প্রথম ‘অ্যাভাটার’ ১৭ দিনে এবং ২০২২ সালের ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ ১৪ দিনের মধ্যেই এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিল। তবে তৃতীয় কিস্তিটিও আগের ছবিগুলোর মতোই বড় পর্দায় শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রথম ‘অ্যাভাটার’ বিশ্বব্যাপী আয় করেছিল প্রায় ২.৯ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৩ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা)। আর দ্বিতীয় কিস্তি ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’-এর আয় ছিল প্রায় ২.৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা।

‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ কি ২ বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক ছুঁতে পারবে—সে প্রশ্ন এখনো উন্মুক্ত। বিশ্লেষকদের মতে, এই লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক বাজারই হবে ছবিটির প্রধান ভরসা। কারণ, আগের দুই ‘অ্যাভাটার’ ছবির সিংহভাগ আয় এসেছিল বিদেশি বাজার থেকেই। প্রথম ছবিটি আন্তর্জাতিক বাজারে আয় করেছিল প্রায় ২.১ বিলিয়ন ডলার, আর দ্বিতীয় কিস্তির আন্তর্জাতিক আয় ছিল ১.৬৫ বিলিয়ন ডলার।

এখন পর্যন্ত তৃতীয় কিস্তিতে সবচেয়ে বেশি আয় এসেছে চীন থেকে—প্রায় ১৩৮ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা)। এরপর রয়েছে ফ্রান্স (৮১ মিলিয়ন ডলার), জার্মানি (৬৪ মিলিয়ন ডলার) এবং দক্ষিণ কোরিয়া (৪৪ মিলিয়ন ডলার)।

এদিকে, ডিজনির জন্যও ২০২৫ সালটি বক্স অফিসে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে উঠেছে। ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ ও ‘জুটোপিয়া ২’-এর পর ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ চলতি বছরে ডিজনির তৃতীয় ছবি, যা ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের সীমা ছাড়িয়েছে। সব মিলিয়ে এ বছর ডিজনির বৈশ্বিক বক্স অফিস আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬.৫৮ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা), যা কোভিড-পরবর্তী সময়ে তাদের জন্য একটি বড় অর্জন।

গল্পের দিক থেকে ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’-এ দেখা যায় জেক সুলি (স্যাম ওর্থিংটন), নেইতিরি (জো সালদানা) ও তাঁদের পরিবারকে এক নতুন, আগুনঘেরা শত্রুর মুখোমুখি হতে। এই ছবির মাধ্যমে জেমস ক্যামেরনের পরিচালিত চতুর্থ সিনেমা হিসেবে বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করল ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—চলচ্চিত্র ইতিহাসে একমাত্র নির্মাতা হিসেবে জেমস ক্যামেরনের ঝুলিতে রয়েছে তিনটি ২ বিলিয়ন ডলারের ব্লকবাস্টার।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১৮ দিনে রেকর্ড ব্রেকিং আয়ের স্বীকৃতি পেল ‘অ্যাভাটার’,

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

১৮ দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছে হলিউড সিনেমা ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। মুক্তির পর থেকে ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১.০৮৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

বিনোদনবিষয়ক প্রভাবশালী গণমাধ্যম ভ্যারাইটি জানায়, এই আয়ের মধ্যে উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে এসেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৬ হাজার ৭২০ কোটি টাকা)। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ছবিটির আয় ৭৭৭.১ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকা।

ভ্যারাইটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার’ সিরিজের তৃতীয় কিস্তি হিসেবে ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ বিলিয়ন ডলার ক্লাবে প্রবেশ করতে আগের দুই ছবির তুলনায় সামান্য বেশি সময় নিয়েছে। ২০০৯ সালের প্রথম ‘অ্যাভাটার’ ১৭ দিনে এবং ২০২২ সালের ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ ১৪ দিনের মধ্যেই এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিল। তবে তৃতীয় কিস্তিটিও আগের ছবিগুলোর মতোই বড় পর্দায় শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রথম ‘অ্যাভাটার’ বিশ্বব্যাপী আয় করেছিল প্রায় ২.৯ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৩ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা)। আর দ্বিতীয় কিস্তি ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’-এর আয় ছিল প্রায় ২.৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা।

‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ কি ২ বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক ছুঁতে পারবে—সে প্রশ্ন এখনো উন্মুক্ত। বিশ্লেষকদের মতে, এই লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক বাজারই হবে ছবিটির প্রধান ভরসা। কারণ, আগের দুই ‘অ্যাভাটার’ ছবির সিংহভাগ আয় এসেছিল বিদেশি বাজার থেকেই। প্রথম ছবিটি আন্তর্জাতিক বাজারে আয় করেছিল প্রায় ২.১ বিলিয়ন ডলার, আর দ্বিতীয় কিস্তির আন্তর্জাতিক আয় ছিল ১.৬৫ বিলিয়ন ডলার।

এখন পর্যন্ত তৃতীয় কিস্তিতে সবচেয়ে বেশি আয় এসেছে চীন থেকে—প্রায় ১৩৮ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা)। এরপর রয়েছে ফ্রান্স (৮১ মিলিয়ন ডলার), জার্মানি (৬৪ মিলিয়ন ডলার) এবং দক্ষিণ কোরিয়া (৪৪ মিলিয়ন ডলার)।

এদিকে, ডিজনির জন্যও ২০২৫ সালটি বক্স অফিসে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে উঠেছে। ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ ও ‘জুটোপিয়া ২’-এর পর ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ চলতি বছরে ডিজনির তৃতীয় ছবি, যা ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের সীমা ছাড়িয়েছে। সব মিলিয়ে এ বছর ডিজনির বৈশ্বিক বক্স অফিস আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬.৫৮ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা), যা কোভিড-পরবর্তী সময়ে তাদের জন্য একটি বড় অর্জন।

গল্পের দিক থেকে ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’-এ দেখা যায় জেক সুলি (স্যাম ওর্থিংটন), নেইতিরি (জো সালদানা) ও তাঁদের পরিবারকে এক নতুন, আগুনঘেরা শত্রুর মুখোমুখি হতে। এই ছবির মাধ্যমে জেমস ক্যামেরনের পরিচালিত চতুর্থ সিনেমা হিসেবে বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করল ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—চলচ্চিত্র ইতিহাসে একমাত্র নির্মাতা হিসেবে জেমস ক্যামেরনের ঝুলিতে রয়েছে তিনটি ২ বিলিয়ন ডলারের ব্লকবাস্টার।